৩ মার্চ ২০২৫ তারিখে আপিল বিভাগের আদেশে হাইকোর্টের খালাসের রায় বহাল রাখা হয়েছে। এর আগে, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খালেদা জিয়ার খালাসের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেছিল। তবে, আপিল বিভাগ সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

গত ২৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে হাইকোর্টের বেঞ্চ (বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেন) খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাস দেয়।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবীদের একটি বিশাল দল, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন, অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, অ্যাডভোকেট মাকসুদ উল্লাহ, অ্যাডভোকেট আজমল হোসেন খোকন, এবং ব্যারিস্টার সানজিদ সিদ্দিকী।
দুদকের পক্ষেছিলেনঅ্যাডভোকেট আসিফ হোসাইন।
গত বছরের ২০ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৭ বছরের কারাদণ্ড রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়েছিল। তার আগের ৩ নভেম্বর হাইকোর্ট খালেদা জিয়াকে তার পেপারবুক (কেসের ডকুমেন্টেশন) নিজ খরচে প্রস্তুত করার অনুমতি দেয়।
এই রায়ের পরবর্তী পর্যায়ে, ২০২৫ সালের ৩ মার্চ, আপিল বিভাগ হাইকোর্টের খালাসের রায়কে বহাল রাখে এবং রাষ্ট্রপক্ষ ও দুদকের আপিল খারিজ করে।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়া খালাস পেয়েছেন। আপিল বিভাগ হাইকোর্টের খালাসের রায়কে বহাল রেখেছে, ফলে ৭ বছরের কারাদণ্ড থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 

















