০৫:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, “কারো লাশ যেন বেওয়ারিশ না থাকে।

সোমবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের নতুন ভবন আঞ্জুমান জে আর টাওয়ারের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, আলী ইমাম মজুমদার, আঞ্জুমান মফিদুলের সভাপতি মুফলেহ আর ওসমানী এবং সহ-সভাপতি গোলাম রহমান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আমরা বেওয়ারিশ হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারি, যাতে আত্মীয়স্বজন পাশে থাকে এবং সম্মানজনকভাবে দাফন করা যায়। এতে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত হবে না, বরং সম্মান বৃদ্ধি পাবে।”

নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে প্রধান উপদেষ্টা এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার করেন। তিনি বলেন, “ছোটবেলা থেকে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের নাম শুনেছি, কিন্তু এর ব্যাখ্যা জানতাম না। আজকে দেখলাম, এই প্রতিষ্ঠান বেওয়ারিশ লাশগুলোকে সম্মানসহ দাফন করে। তাদের কোনো বক্তব্য বা বাহবা কখনও শুনিনি, তারা শুধু চুপ চাপ কাজ করে যাচ্ছে, যা আমাকে অবাক করেছে।”

তিনি বলেন, “করোনার সময় এই নামটি বারবার এসেছে এবং এখন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি মুসলমান সমাজের ঐতিহ্য বহন করছে। আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম নামের ব্যাখ্যা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না, নামটা শুনলেই কাজের কথা মনে পড়ে। এটি একটি নতুন অর্থ ধারণ করেছে এবং বহুদিন ধরে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে।”

প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যে তিনি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের বিশেষ অবদান এবং এর দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেটি এত দীর্ঘ সময় ধরে টিকে আছে এবং এমন গৌরবময় কাজ করছে, বিশেষত এতিমদের সাহায্য করা, এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের দুর্বলতা এবং সমস্যাগুলোর সমাধান করতে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মতো উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তিনি উল্লেখ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, যদি আমরা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মতো মনোযোগ এবং দায়িত্বশীলতা নিয়ে সমাজে কাজ করি, তবে অনেক সামাজিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। এটি কেবল আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগের কথা নয়, বরং সার্বিকভাবে সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং ভালো দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন।

ট্যাগ

মহাকাশে এআই ডেটা সেন্টারের স্বপ্ন: SpaceX ও xAI একীভূত করলেন ইলন মাস্ক

মহাকাশে এআই ডেটা সেন্টারের স্বপ্ন: SpaceX ও xAI একীভূত করলেন ইলন মাস্ক। ছবিঃসংগৃহীত

ভবিষ্যতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিকে শক্তিশালী করতে মহাকাশে ডেটা সেন্টার গড়ার উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নিজের দুই প্রতিষ্ঠান SpaceX ও xAI-কে একীভূত করেছেন ধনকুবের উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। মঙ্গলবার SpaceX-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই একীভূতকরণের ঘোষণা দেন। টেসলার সিইও ইলন মাস্ক বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ ও শীতলকরণ ব্যবস্থার প্রয়োজন হবে, যা পৃথিবীতে টেকসইভাবে বাস্তবায়ন করা কঠিন। এতে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও পরিবেশের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তার মতে, সূর্যের অফুরন্ত শক্তি কাজে লাগাতে সক্ষম মহাকাশ-ভিত্তিক ডেটা সেন্টারই এআই-এর দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। মাস্ক লিখেছেন, “দীর্ঘমেয়াদে মহাকাশ-ভিত্তিক এআই ছাড়া বড় পরিসরে এআই সম্প্রসারণ সম্ভব নয়। সূর্যের শক্তির মাত্র এক মিলিয়ন ভাগের এক ভাগ ব্যবহার করলেও তা আমাদের বর্তমান সভ্যতার ব্যবহৃত শক্তির তুলনায় প্রায় দশ লক্ষ গুণ বেশি।” তিনি আরও বলেন, “এই বিপুল সম্পদ-নির্ভর কার্যক্রমকে এমন জায়গায় স্থানান্তর করাই যুক্তিসংগত, যেখানে শক্তি ও জায়গার কোনো সীমাবদ্ধতা নেই।” তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২ থেকে ৩ বছরের মধ্যেই এআই কম্পিউটিংয়ের সবচেয়ে কম খরচের জায়গা হয়ে উঠবে মহাকাশ। SpaceX ও xAI-এর এই একীভূতকরণে মাস্কের মহাকাশ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম-সংক্রান্ত একাধিক প্রকল্প একই ছাতার নিচে চলে এলো। SpaceX বর্তমানে ফ্যালকন ও স্টারশিপ রকেট কর্মসূচি পরিচালনা করছে, আর xAI পরিচিত এআই-চালিত Grok চ্যাটবট তৈরির জন্য। গত বছর xAI সামাজিক...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যে ওমানে যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের পরোক্ষ আলোচনা শুরু

যুদ্ধের আশঙ্কার মধ্যে ওমানে যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের পরোক্ষ আলোচনা শুরু। ছবিঃসংগৃহীত

ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের আশঙ্কার মধ্যে ওমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠায় এই আলোচনাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ওমানের রাজধানী মাসকাটে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারও আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। ওমান ঐতিহ্যগতভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে, ফলে এবারও দেশটি আলোচনার জন্য নিরপেক্ষ মঞ্চ হিসেবে কাজ করছে। ইরান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানান, এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য হলো পারমাণবিক ইস্যুতে একটি “ন্যায়সঙ্গত, উভয় পক্ষের জন্য সন্তোষজনক ও সম্মানজনক চুক্তি” অর্জন করা। তার ভাষায়, তেহরান এমন একটি সমাধান চায় যা ইরানের সার্বভৌম অধিকার ও জাতীয় স্বার্থকে সম্মান করবে। তবে আলোচনার নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু এখনও প্রকাশ করা হয়নি। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, যুক্তরাষ্ট্র কেবল পারমাণবিক কর্মসূচিতেই সীমাবদ্ধ না থেকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাবসহ একাধিক বিষয় আলোচনার টেবিলে আনতে চাইছে। এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে আসছে ইরান, যা আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরোক্ষ আলোচনা সফল হলে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বৈরিতা কমানোর পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে। তবে মতপার্থক্য গভীর হওয়ায় দ্রুত কোনো চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছানো...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

মেঘালয়ে অবৈধ কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৮

মেঘালয়ে অবৈধ কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১৮; আটকা আরও অনেকে

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মেঘালয়ের একটি অবৈধ কয়লা খনিতে শক্তিশালী বিস্ফোরণে অন্তত ১৮ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন শ্রমিক খনির ভেতরে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন। দুর্গম এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় উদ্ধার কাজে বেগ পেতে হচ্ছে উদ্ধারকারী দলকে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে মেঘালয়ের পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার থাংস্কু এলাকার মিনসিঙ্গাটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, খনিটি অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছিল এবং বিস্ফোরণের সময় সেখানে একাধিক শ্রমিক কাজ করছিলেন। নিহতদের অধিকাংশই প্রতিবেশী রাজ্য আসামের শ্রমিক বলে ধারণা করা হচ্ছে। পূর্ব জৈন্তিয়া পাহাড় জেলার পুলিশ সুপার বিকাশ কুমার জানান, “এখন পর্যন্ত ১৮টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খনির ভেতরে ঠিক কতজন শ্রমিক ছিলেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য নেই। ফলে আরও কেউ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, প্রাথমিক তদন্তে খনিটি অবৈধ বলে মনে হচ্ছে এবং বিস্ফোরণের সঠিক কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিস্ফোরণের পর খনি থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে ঘটনাস্থলে শ্রমিকদের আতঙ্কিত অবস্থায় ছুটোছুটি করতে দেখা যায়। বিস্ফোরণে অন্তত একজন শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছেন, যাকে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং পরে শিলং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

সুদানে সামরিক হাসপাতালে বোমা হামলা, চিকিৎসকসহ নিহত ২২

সুদানে সামরিক হাসপাতালে আরএসএফের বোমা হামলা, চিকিৎসকসহ নিহত ২২

উত্তর আফ্রিকার দেশ সুদানের দক্ষিণ কুরদোফান রাজ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে একটি সামরিক হাসপাতালে ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। আধাসামরিক বাহিনী র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)-এর চালানো ওই হামলায় অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন চিকিৎসাকর্মী রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) তুরস্কভিত্তিক বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কুরদোফান রাজ্যের আল-কুয়েইক সামরিক হাসপাতালে এই বোমা হামলা চালানো হয়। এক বিবৃতিতে সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক জানায়, হামলায় হাসপাতালের মেডিকেল ডিরেক্টরসহ আরও তিনজন স্বাস্থ্যকর্মী নিহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসাকর্মীদের লক্ষ্য করে চালানো হামলা একটি সুস্পষ্ট যুদ্ধাপরাধ। এটি আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং বেসামরিক নাগরিক ও চিকিৎসা স্থাপনার সুরক্ষা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সরাসরি লঙ্ঘন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দক্ষিণ কুরদোফানজুড়ে ধারাবাহিক হামলার কারণে একাধিক হাসপাতাল কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে ইতোমধ্যে ভয়াবহ মানবিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের জন্য অবশিষ্ট স্বাস্থ্যসেবাও মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সুদান ডক্টরস নেটওয়ার্ক এই হামলার জন্য আরএসএফকে সম্পূর্ণ দায়ী করে জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতি দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে চিকিৎসা স্থাপনাগুলোর ওপর পুনরাবৃত্ত হামলা বন্ধ করা যায়। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আরএসএফের...

আরো পড়ুন
জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশু হুজাইফার মৃত্যু

প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, “কারো লাশ যেন বেওয়ারিশ না থাকে।

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

সোমবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের নতুন ভবন আঞ্জুমান জে আর টাওয়ারের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, আলী ইমাম মজুমদার, আঞ্জুমান মফিদুলের সভাপতি মুফলেহ আর ওসমানী এবং সহ-সভাপতি গোলাম রহমান।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আমরা বেওয়ারিশ হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারি, যাতে আত্মীয়স্বজন পাশে থাকে এবং সম্মানজনকভাবে দাফন করা যায়। এতে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত হবে না, বরং সম্মান বৃদ্ধি পাবে।”

নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে প্রধান উপদেষ্টা এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার করেন। তিনি বলেন, “ছোটবেলা থেকে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের নাম শুনেছি, কিন্তু এর ব্যাখ্যা জানতাম না। আজকে দেখলাম, এই প্রতিষ্ঠান বেওয়ারিশ লাশগুলোকে সম্মানসহ দাফন করে। তাদের কোনো বক্তব্য বা বাহবা কখনও শুনিনি, তারা শুধু চুপ চাপ কাজ করে যাচ্ছে, যা আমাকে অবাক করেছে।”

তিনি বলেন, “করোনার সময় এই নামটি বারবার এসেছে এবং এখন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি মুসলমান সমাজের ঐতিহ্য বহন করছে। আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম নামের ব্যাখ্যা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না, নামটা শুনলেই কাজের কথা মনে পড়ে। এটি একটি নতুন অর্থ ধারণ করেছে এবং বহুদিন ধরে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে।”

প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যে তিনি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের বিশেষ অবদান এবং এর দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেটি এত দীর্ঘ সময় ধরে টিকে আছে এবং এমন গৌরবময় কাজ করছে, বিশেষত এতিমদের সাহায্য করা, এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের দুর্বলতা এবং সমস্যাগুলোর সমাধান করতে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মতো উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তিনি উল্লেখ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, যদি আমরা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মতো মনোযোগ এবং দায়িত্বশীলতা নিয়ে সমাজে কাজ করি, তবে অনেক সামাজিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। এটি কেবল আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগের কথা নয়, বরং সার্বিকভাবে সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং ভালো দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন।