
সোমবার (৩ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের নতুন ভবন আঞ্জুমান জে আর টাওয়ারের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, আলী ইমাম মজুমদার, আঞ্জুমান মফিদুলের সভাপতি মুফলেহ আর ওসমানী এবং সহ-সভাপতি গোলাম রহমান।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “আমরা বেওয়ারিশ হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারি, যাতে আত্মীয়স্বজন পাশে থাকে এবং সম্মানজনকভাবে দাফন করা যায়। এতে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কর্মকাণ্ডে ব্যাঘাত হবে না, বরং সম্মান বৃদ্ধি পাবে।”
নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে প্রধান উপদেষ্টা এতিম শিশুদের সঙ্গে ইফতার করেন। তিনি বলেন, “ছোটবেলা থেকে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের নাম শুনেছি, কিন্তু এর ব্যাখ্যা জানতাম না। আজকে দেখলাম, এই প্রতিষ্ঠান বেওয়ারিশ লাশগুলোকে সম্মানসহ দাফন করে। তাদের কোনো বক্তব্য বা বাহবা কখনও শুনিনি, তারা শুধু চুপ চাপ কাজ করে যাচ্ছে, যা আমাকে অবাক করেছে।”
তিনি বলেন, “করোনার সময় এই নামটি বারবার এসেছে এবং এখন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। এটি মুসলমান সমাজের ঐতিহ্য বহন করছে। আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম নামের ব্যাখ্যা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না, নামটা শুনলেই কাজের কথা মনে পড়ে। এটি একটি নতুন অর্থ ধারণ করেছে এবং বহুদিন ধরে একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে।”
প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যে তিনি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের বিশেষ অবদান এবং এর দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রমের প্রশংসা করেছেন। তিনি জানান, এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেটি এত দীর্ঘ সময় ধরে টিকে আছে এবং এমন গৌরবময় কাজ করছে, বিশেষত এতিমদের সাহায্য করা, এটি সত্যিই প্রশংসনীয়। সমাজের দুর্বলতা এবং সমস্যাগুলোর সমাধান করতে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মতো উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তিনি উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, যদি আমরা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মতো মনোযোগ এবং দায়িত্বশীলতা নিয়ে সমাজে কাজ করি, তবে অনেক সামাজিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে। এটি কেবল আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান বা উদ্যোগের কথা নয়, বরং সার্বিকভাবে সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং ভালো দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজন।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 
















