০৫:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শনিবার সারা দেশে ৬-৫৯মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আগামী শনিবার, ১৫ মার্চ, সারা দেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচি চলবে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এদিন প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এদিন দেশের ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে ভিটামিন এ ক্যাপসুল বিতরণ করা হবে। মন্ত্রণালয় শিশুদের অভিভাবকদের কাছ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, তাঁরা যেন তাঁদের শিশুদের কাছের ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক বা অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ক্যাপসুল খাওয়ান।

ভিটামিন এ শুধুমাত্র অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে না, বরং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহারও প্রায় এক-চতুর্থাংশ কমিয়ে আনে। ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হয় এবং বর্তমানে এ কারণে রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বছরে দুবার ৯৮ শতাংশ শিশুদের ভিটামিন এ খাওয়ানো হয়, যা শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ট্যাগ

নির্বাচনী ইশতেহারে ৩৭ দফা স্বাস্থ্য পরিকল্পনা

নির্বাচনী ইশতেহারে ৩৭ দফা স্বাস্থ্য পরিকল্পনা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৩৭ দফার একটি পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে খাতটির কাঠামোগত সংস্কার ও সেবার বিস্তারে একাধিক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের ইশতেহারে বলা হয়েছে, দেশের বিদ্যমান স্বাস্থ্যব্যবস্থা জনগণের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ মানুষকে উচ্চ ব্যয় ও ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। এই বাস্তবতা পরিবর্তনে স্বাস্থ্য খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে এবং সেবার মান ও প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হবে। ইশতেহারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার হিসেবে পাঁচ বছরের কম বয়সী সব শিশু এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা চালুর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ পর্যায়ক্রমে বর্তমানের তুলনায় তিন গুণ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ধাপে ধাপে জাতীয় স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থা চালু এবং প্রতিটি নাগরিকের জন্য ডিজিটাল হেলথ কার্ড প্রবর্তনের পরিকল্পনার কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়। এর মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থাপনাকে সমন্বিত ও স্বচ্ছ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। অবকাঠামোগত উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি জেলায় পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল স্থাপন এবং জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে অন্তত পাঁচ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার, আইসিইউ ও সিসিইউ চালুর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। পাশাপাশি ৬৪টি জেলাতেই পর্যায়ক্রমে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ভিয়েতনামে কম খরচে আন্তর্জাতিক মানের মেডিকেল ট্যুরিজম

ভিয়েতনামে কম খরচে আন্তর্জাতিক মানের মেডিকেল ট্যুরিজম

ভিয়েতনামে মেডিকেল ট্যুরিজম বা চিকিৎসা পর্যটন ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। দেশটির দন্তচিকিৎসার খরচ রাশিয়া ও ইউরোপের তুলনায় অত্যন্ত কম। স্থানীয় এক দন্তচিকিৎসকের অফিসে দাঁত পরিষ্কার করা যায় মাত্র ৬০০ রুবেলে, আর গহ্বরের চিকিৎসার খরচ ১,০০০ রুবেল। একজন রাশিয়ান নারী এই মূল্যতালিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই কম খরচ দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, যদিও সেবার মান আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি। পর্যটকদের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ, পর্যাপ্ত সুবিধা এবং দক্ষ চিকিৎসক থাকার কারণে ভিয়েতনাম ধীরে ধীরে মেডিকেল ট্যুরিজমের নতুন গন্তব্য হয়ে উঠছে। বিশ্লেষকদের মতে, ভিয়েতনামের মেডিকেল সিস্টেম মূলত হাইব্রিড, অর্থাৎ সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মিশ্রণ। বিশেষ করে বেসরকারি হাসপাতালগুলো আন্তর্জাতিক মানের সেবা দেয় এবং কিছু হাসপাতাল JCI (Joint Commission International) স্বীকৃত, যা সেবার মান নিশ্চিত করে। জনপ্রিয় চিকিৎসা ও সুবিধার মধ্যে রয়েছে: কসমেটিক সার্জারি ও ডেন্টাল চিকিৎসা: আন্তর্জাতিক মানের সেবা, কম খরচে হোলিস্টিক চেক-আপ ও অন্যান্য চিকিৎসা: সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ফার্টিলিটি, আসক্তি নিরাময় বিশেষায়িত হাসপাতাল: Vinmec International Hospital, Family Medical, FV Hospital বিদেশিদের জন্য সুবিধাসমূহ: হাসপাতালগুলোতে ইংরেজিভাষী সেবা আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য বীমা করানো সম্ভব, কিছু ক্ষেত্রে ভিয়েতনামের বাইরে চিকিৎসার কভারেজ নেওয়া যায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া যায় Zalo, WhatsApp বা সরাসরি ফোনের মাধ্যমে ভিয়েতনামের কম খরচ, আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা ও পর্যটনবান্ধব পরিবেশ মিলিয়ে দেশটি ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মেডিকেল ট্যুরিস্টদের জন্য এক প্রধান গন্তব্য...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

একনেক অনুমোদন: উত্তরাঞ্চলে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবার নতুন দিগন্ত

একনেক অনুমোদন: উত্তরাঞ্চলে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবার নতুন দিগন্ত

উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য আধুনিক ও বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নীলফামারীতে এক হাজার শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। আজ সোমবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের উদ্যোগে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে প্রকল্পটি জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৯ সময়কালে বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পের মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪৫৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ন ১৭৯ কোটি ২৭ লাখ টাকা এবং অবশিষ্ট অর্থ চীনের অনুদান সহায়তা থেকে আসবে। প্রেস উইংয়ের তথ্যমতে, গত বছরের মার্চ মাসে চীন সফরকালে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের জন্য একটি উন্নত ও বিশেষায়িত হাসপাতাল স্থাপনের অনুরোধ জানান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কাছে। সেই অনুরোধের প্রেক্ষিতেই চীন সরকার দ্রুততার সঙ্গে এই হাসপাতাল নির্মাণে সহযোগিতার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকল্পের আওতায় নীলফামারী সদর উপজেলায় একটি আধুনিক ১০ তলা হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য ডরমেটরি ও আবাসিক ভবন, ডিরেক্টরস বাংলো, প্রয়োজনীয় সহায়ক অবকাঠামো এবং অত্যাধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে। এই হাসপাতালে সাধারণ চিকিৎসার পাশাপাশি নেফ্রোলজি, কার্ডিওলজি,...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ব্রিটেনে জনপ্রিয় সুগন্ধি প্রত্যাহার: নিষিদ্ধ রাসায়নিকের হুঁশিয়ারি

ব্রিটেনে জনপ্রিয় সুগন্ধি প্রত্যাহার: নিষিদ্ধ রাসায়নিকের হুঁশিয়ারি

ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি দেশটির বাজারে থাকা বেশ কিছু জনপ্রিয় সুগন্ধি পণ্য প্রত্যাহার করেছে। এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এক বিরল ও উদ্বেগজনক কারণে—তদন্তে দেখা গেছে, এসব সুগন্ধিতে এমন একটি নিষিদ্ধ রাসায়নিক উপাদান রয়েছে, যা প্রজনন স্বাস্থ্য এবং ভ্রূণের স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ সংস্থা জানিয়েছে, এই পদার্থটি মানবদেহের হরমোন ব্যবস্থায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে উর্বরতা ও গর্ভধারণের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুগন্ধি পণ্যে ব্যবহৃত অনেক রাসায়নিকই সাধারণত নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হলেও, কিছু উপাদান মানবদেহে দীর্ঘ সময় ধরে জমা হয়ে হরমোনকে প্রভাবিত করতে পারে। এই কারণে বিশেষ করে গর্ভবতী নারী, শিশুরা এবং প্রজননক্ষম বয়সের ব্যক্তিরা ঝুঁকিতে থাকেন। ব্রিটিশ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গর্ভবতী নারী ও সন্তানদের সুরক্ষার জন্য এ ধরনের পণ্যের বাজারে থাকা অসাধু বা অননুমোদিত উপাদান দ্রুত শনাক্ত করে প্রত্যাহার করা অত্যন্ত জরুরি। প্রত্যাহার করা পণ্যগুলোর মধ্যে বেশ কয়েকটি সুপরিচিত ব্র্যান্ড রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে গ্রাহকদের কাছে এই পণ্যগুলোর ব্যবহার বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, যারা ইতিমধ্যে এসব সুগন্ধি ব্যবহার করেছেন, তাদেরকে পণ্যটি বাতিল করে নিরাপদভাবে নিষ্কাশন করতে বলা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে ব্র্যান্ডগুলো গ্রাহকদের ফেরত বা প্রতিস্থাপনের সুবিধাও দিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনায় ভোক্তাদের জন্য একটি বড় শিক্ষা হলো—শুধু ব্র্যান্ড বা মূল্য দেখে পণ্য কেনা নিরাপদ নয়। সুগন্ধি বা পারফিউমের মতো সৌন্দর্য পণ্যে থাকা উপাদানগুলোর তালিকা ও...

আরো পড়ুন
ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

শনিবার সারা দেশে ৬-৫৯মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:২৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫

আগামী শনিবার, ১৫ মার্চ, সারা দেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচি চলবে। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এদিন প্রায় ২ কোটি ২৬ লাখ শিশুকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এদিন দেশের ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রের মাধ্যমে ভিটামিন এ ক্যাপসুল বিতরণ করা হবে। মন্ত্রণালয় শিশুদের অভিভাবকদের কাছ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, তাঁরা যেন তাঁদের শিশুদের কাছের ইপিআই টিকাদান কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক বা অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ক্যাপসুল খাওয়ান।

ভিটামিন এ শুধুমাত্র অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে না, বরং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহারও প্রায় এক-চতুর্থাংশ কমিয়ে আনে। ১৯৭৪ সালে রাতকানা রোগ প্রতিরোধে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হয় এবং বর্তমানে এ কারণে রাতকানা রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা প্রায় নেই বললেই চলে।

জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বছরে দুবার ৯৮ শতাংশ শিশুদের ভিটামিন এ খাওয়ানো হয়, যা শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।