০৫:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতিসংঘ মহাসচিবের সম্মানে ইফতার, অপতথ্যের বিরুদ্ধে সহায়তা কামনা অধ্যাপক ইউনূসের।

রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল শনিবার সফররত জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সম্মানে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে বিশেষত অপতথ্যের বিরুদ্ধে সহায়তা কামনা করেন, যা তিনি বিশ্বাস করেন দেশের অগ্রগতির পথে বড় একটি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমরা আপনার আশীর্বাদ চাই, বিশেষত একটি বিষয়ে—অপতথ্যের বিরুদ্ধে, যা আমাদের ধ্বংস করছে।” তিনি আরও বলেন, “মানুষ কঠোর পরিশ্রম করে একটি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চায়, কিন্তু কিছু মানুষ তা পছন্দ করে না। অপতথ্য ছড়ানো থেকে আমাদের রক্ষা করুন, বাকিটা আমরা সামলে নিতে পারব।”

জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যে ঐক্য সৃষ্টি করেছে, তা দেশের সকল পর্যায়ের জনগণের মধ্যে একটি অনন্য সংহতি তৈরি করেছে। “দেশের জনগণ অনেক বিষয়ে মতানৈক্য পোষণ করলেও একটি বিষয়ে তারা একমত—‘আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।’”

গতবছরের জুলাই-আগস্টে সংগঠিত ছাত্র আন্দোলনকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “শিক্ষার্থীদের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না, ছিল কেবল তাদের জীবন। তারা স্বাধীনতার জন্য, নিজেদের দেশ ফিরে পাওয়ার জন্য এবং নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য আন্দোলনে নেমেছিল।”

জাতিসংঘ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই সফর বাংলাদেশের মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে এনেছে।” প্রধান উপদেষ্টা এ সময় বলেন, “আমরা এখনো রমজানের মাঝামাঝি সময়ে, কিন্তু আপনার এই সফর যেন আগেভাগেই আমাদের জন্য ঈদ এনে দিলো। আপনার আগমনে আমাদের ঈদ এখনই শুরু হয়ে গেছে।”

ট্যাগ

কোনো অপশক্তির কাছে মাথানত নয়: জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

কোনো অপশক্তির কাছে মাথানত নয়: জামায়াত আমির শফিকুর রহমান

১৫ ফেব্রুয়ারি: ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কোনো অপশক্তির কাছে তাঁরা মাথানত করবেন না এবং ন্যায় ও সত্যের ওপর অটল থাকবেন। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি–এর আমির তাঁর পোস্টে নির্বাচনোত্তর পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে তাঁদের দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ওপর হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং নারীদের শ্লীলতাহানির মতো ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। শফিকুর রহমান লেখেন, “দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ভাই-বোনদের ওপর একটি বিশেষ দলের কিছু উশৃঙ্খল আচরণ, হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ—এমনকি ১১ দলের প্রতীকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমাদের সম্মানিত নারীদের শ্লীলতাহানির মতো বেদনাদায়ক ঘটনার খবর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমাদের কাছে আসছে।” তিনি আরও বলেন, “ন্যায় ও সত্যের ওপর ইনশাআল্লাহ আমরা অটল থাকবো। কোনো অপশক্তির কাছে আমরা মাথানত করবো না। যেখানেই এ ধরনের আঘাত আসবে, জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মজলুমের পাশে দাঁড়িয়ে সেখানেই তীব্র প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।” দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে জামায়াত আমির আহ্বান জানান, সাধারণ মানুষের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে। তিনি বলেন, “মনে রাখবেন, এটি মানবতার দাবি, মহান আল্লাহকে ভালোবাসার দাবি এবং দেশকে ভালোবাসার দাবি। এই দাবি পূরণে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ ব্যাপারে কোনো দুর্বলতা প্রদর্শনের সুযোগ নেই।” পোস্টের শেষাংশে তিনি মহান আল্লাহর সাহায্য কামনা করে দোয়া...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

রমজানে ট্রাকসেল শুরু করছে টিসিবি

রমজানে ট্রাকসেল শুরু করছে টিসিবি

তেল-ডাল-চিনির সঙ্গে মিলবে ছোলা ও খেজুর, ৩০–৩৫ লাখ ভোক্তা উপকৃত হবেন আসন্ন পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সারা দেশে ট্রাকের মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান Trading Corporation of Bangladesh (টিসিবি)। সংস্থাটি জানিয়েছে, রমজান মাস শুরুর আগের দিন থেকেই ট্রাকসেল কার্যক্রম শুরু হতে পারে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে টিসিবি জানায়, বর্তমানে সারাদেশে ভর্তুকি মূল্যে স্মার্ট কার্ডধারী পরিবারের কাছে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর পাশাপাশি রমজান মাসে ট্রাকসেলের মাধ্যমে অতিরিক্ত ৩০ থেকে ৩৫ লাখ ভোক্তার কাছে ভর্তুকি মূল্যে পণ্য সরবরাহ করা হবে। টিসিবির নিয়মিত পণ্য—সয়াবিন তেল, মসুর ডাল ও চিনি—এর পাশাপাশি রমজান উপলক্ষে ছোলা ও খেজুরও ট্রাকসেলের আওতায় আনা হচ্ছে। তবে ট্রাকসেলের মাধ্যমে বিক্রি হওয়া পণ্যের নির্ধারিত পরিমাণ ও মূল্য পরে জানানো হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। টিসিবি জানিয়েছে, রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এ সময় নিম্ন ও মধ্যআয়ের মানুষের জন্য পণ্য সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংস্থাটি আশা করছে, ট্রাকসেল কার্যক্রমের মাধ্যমে বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে নিত্যপণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

খাগড়াছড়িতে ১১ জনের মধ্যে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

খাগড়াছড়িতে ১১ জনের মধ্যে ৭ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। কাস্ট হওয়া মোট ভোটের ৮ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় নির্বাচন বিধি অনুযায়ী তাদের জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়। জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে মোট ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৯টি ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটারের প্রায় ৬২ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ হাজার ৮০টি ভোট বাতিল হিসেবে গণ্য হয়েছে। অন্যদিকে জামানত হারানো সাত প্রার্থীর সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোট মাত্র ৭ হাজার ৬৬৯। অর্থাৎ বাতিল ভোটের সংখ্যাই তাদের মোট প্রাপ্ত ভোটের চেয়ে বেশি। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—জাতীয় পার্টি-এর মিথিলা রওয়াজা (লাঙ্গল, ১,০২৪ ভোট), বাংলাদেশ মার্জিনাল জনতা পার্টি (বিএমজেপি)-এর উশ্যেপ্রু মারমা (রকেট, ১,০৩০ ভোট), জিরুনা ত্রিপুরা (কলস, ৯০৪ ভোট), গণঅধিকার পরিষদ-এর দীনময় রওয়াজা (ট্রাক, ৭৫৫ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মো. কাউসার (হাতপাখা, ৩,০৮৯ ভোট), নুর ইসলাম (আপেল, ৬৮৩ ভোট) এবং নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়া মো. মোস্তফা (হারিকেন, ১৮৪ ভোট)। আরও পড়ুন  কুড়িগ্রামের ৪ আসনে ১৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন জানান, বিধি অনুযায়ী কাস্ট হওয়া ভোটের অন্তত ৮ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবেই এই আসনে সাতজন প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জামানত হারানোদের মধ্যে উশ্যেপ্রু মারমা, মো. মোস্তফা ও মিথিলা রওয়াজা ২০২৪...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

বঙ্গভবন নয়, দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ

বঙ্গভবন নয়, দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ

সাধারণত বঙ্গভবনের দরবার হলে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলেও এবার সেই রীতি ভাঙা হচ্ছে। প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ। আগামী মঙ্গলবার বিকেলে এ আয়োজন হবে। একই দিন সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যরা শপথ নেবেন। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ও বিএনপির একাধিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। পরে বিকেলে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। সংবিধান অনুযায়ী, মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি। জাতীয় সংসদকে গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু বিবেচনায় নিয়ে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে এই ভেন্যু নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। দেড় বছর সংসদ কার্যকর না থাকলেও সংসদ ভবন এলাকায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনসহ একাধিক কমিশনের কার্যক্রমও সংসদ ভবনকেন্দ্রিক ছিল। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের উদ্যোগে প্রণীত জুলাই জাতীয় সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানও দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। আরও পড়ুন  নতুন সরকারের শপথে ১৩ দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর শুক্রবার রাতে ২৯৭টি আসনের বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। উচ্চ আদালতের নির্দেশনার কারণে দুটি আসনের গেজেট প্রকাশ স্থগিত রয়েছে। জাতীয় সংসদ সচিবালয় ইতিমধ্যে শপথ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি শুরু করেছে। সচিব কানিজ...

আরো পড়ুন
ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘ মহাসচিবের সম্মানে ইফতার, অপতথ্যের বিরুদ্ধে সহায়তা কামনা অধ্যাপক ইউনূসের।

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ মার্চ ২০২৫

রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল শনিবার সফররত জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সম্মানে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে বিশেষত অপতথ্যের বিরুদ্ধে সহায়তা কামনা করেন, যা তিনি বিশ্বাস করেন দেশের অগ্রগতির পথে বড় একটি বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমরা আপনার আশীর্বাদ চাই, বিশেষত একটি বিষয়ে—অপতথ্যের বিরুদ্ধে, যা আমাদের ধ্বংস করছে।” তিনি আরও বলেন, “মানুষ কঠোর পরিশ্রম করে একটি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চায়, কিন্তু কিছু মানুষ তা পছন্দ করে না। অপতথ্য ছড়ানো থেকে আমাদের রক্ষা করুন, বাকিটা আমরা সামলে নিতে পারব।”

জাতীয় ঐক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যে ঐক্য সৃষ্টি করেছে, তা দেশের সকল পর্যায়ের জনগণের মধ্যে একটি অনন্য সংহতি তৈরি করেছে। “দেশের জনগণ অনেক বিষয়ে মতানৈক্য পোষণ করলেও একটি বিষয়ে তারা একমত—‘আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।’”

গতবছরের জুলাই-আগস্টে সংগঠিত ছাত্র আন্দোলনকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “শিক্ষার্থীদের কাছে কোনো অস্ত্র ছিল না, ছিল কেবল তাদের জীবন। তারা স্বাধীনতার জন্য, নিজেদের দেশ ফিরে পাওয়ার জন্য এবং নিজেদের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য আন্দোলনে নেমেছিল।”

জাতিসংঘ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই সফর বাংলাদেশের মানুষের জন্য আনন্দ বয়ে এনেছে।” প্রধান উপদেষ্টা এ সময় বলেন, “আমরা এখনো রমজানের মাঝামাঝি সময়ে, কিন্তু আপনার এই সফর যেন আগেভাগেই আমাদের জন্য ঈদ এনে দিলো। আপনার আগমনে আমাদের ঈদ এখনই শুরু হয়ে গেছে।”