০৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“সিয়াম (রোজা) আমার জন্য এবং আমি এর প্রতিদান দেবো।”

“আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘সিয়াম (রোজা) আমার জন্য, এবং এর প্রতিদান আমি দেবো’।” এই কথা হাদীসে এসেছে, যা বিশেষভাবে রোজার গুরুত্ব এবং এর অতুলনীয় পুরস্কারের বিষয়টি প্রকাশ করে। এখানে মূল হাদীসটির একটি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

হাদীসটি সহীহ বুখারী এবং সহীহ মুসলিম-এ পাওয়া যায়। এতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন:

“সিয়াম (রোজা) আমার জন্য এবং আমি এর প্রতিদান দেবো।”
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩১০৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫১)

এখানে আল্লাহ তাআলা নিজেই রোজার গুরুত্ব এবং এর প্রতিদানের কথা বলেছেন। অন্যান্য ইবাদতের ক্ষেত্রে পুরস্কার বা প্রতিদান সম্পর্কে সাধারণভাবে বলা হয়, যেমন নামাজের জন্য পুরস্কার, সদকার জন্য পুরস্কার, কিন্তু রোজার ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলা বিশেষভাবে বলেছেন, “এটা আমার জন্য।”

রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন: “রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিসকের গন্ধের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।” (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০৫৭)

এখানে রাসূল (সা.) বলেছেন যে, রোজাদারের মুখের গন্ধ, যদিও তা মানুষের কাছে অপছন্দনীয় মনে হতে পারে, আল্লাহর কাছে তা এতই প্রিয় যে, এটি মিসকের গন্ধের চেয়েও উত্তম। এটি ইঙ্গিত করে যে, রোজার প্রতিদান এবং এর গুরুত্ব আল্লাহ তাআলার কাছে অসীম।

  • দুনিয়াতে পুরস্কার: রোজা রক্ষা করলে দুনিয়াতে শান্তি, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর সাহায্য পাওয়া যায়। রোজা রাখার মাধ্যমে ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস এবং ধৈর্য শক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • আখিরাতে পুরস্কার: আখিরাতে, যখন মানুষ তার রোজার পুরস্কার পাবে, তখন তা হবে এক বিশাল পুরস্কার, যা কল্পনা করা সম্ভব নয়। আল্লাহ তাআলা রোজার জন্য বিশেষভাবে একটি দরজা খুলে দিয়েছেন, যার নাম “রাইয়ান”। এ দরজা দিয়ে কেবল রোজাদাররা প্রবেশ করতে পারবেন এবং তারা একমাত্র আল্লাহর মেহেরবানির মাধ্যমে সুসংগঠিত পুরস্কার লাভ করবেন।

অতএব, রোজা আল্লাহর জন্য একটি একান্ত এবং বিশেষ ইবাদত, যার প্রতিদান কেবল আল্লাহ নিজেই দেবেন। এই প্রতিদান অসীম এবং চিরস্থায়ী, যা আমাদের কল্পনার বাইরে। এজন্য রোজা রক্ষা এবং সিয়াম পালন করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা মুসলিমদের আধ্যাত্মিক উন্নতি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উপায়।

ট্যাগ

বিএনপি সরকারের শপথে আসছেন না নরেন্দ্র মোদি, প্রতিনিধি পাঠাবে ভারত

বিএনপি সরকারের শপথে আসছেন না নরেন্দ্র মোদি, প্রতিনিধি পাঠাবে ভারত

ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি — ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে শপথ অনুষ্ঠানে মোদির উপস্থিত থাকার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম Hindustan Times। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একই দিন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ভারত সফরে যাচ্ছেন। ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে মোদি ও ম্যাক্রোঁর বৈঠকের কথা রয়েছে। এরপর ম্যাক্রোঁ নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য এআই ইমপ্যাক্ট সম্মেলনে অংশ নেবেন। তিনি ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভারতে অবস্থান করবেন। এই কূটনৈতিক ব্যস্ততার কারণে বাংলাদেশের শপথ অনুষ্ঠানে মোদির উপস্থিত থাকা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানানো হয়। তবে ভারতের পক্ষ থেকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন বলে খবরে উল্লেখ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে ভারতের ভাইস-প্রেসিডেন্ট অথবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এদিকে, নির্বাচনে বিজয়ের পরপরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিএনপি প্রধান তারেক রহমানকে টেলিফোনে অভিনন্দন জানান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোদি তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং বাংলাদেশের নির্বাচনে ‘অসাধারণ জয়’-এর জন্য শুভেচ্ছা জানান। পোস্টে মোদি দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শান্তি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। তিনি...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

মাইন্ড হ্যাকার ওয়ালিদ মেসিলি হিপনোসিসের নতুন দিগন্ত উন্মোচন

মাইন্ড হ্যাকার ওয়ালিদ মেসিলি হিপনোসিসের নতুন দিগন্ত উন্মোচন

আলজেরিয়ান-আমেরিকান প্রকৌশলী ওয়ালিদ মেসিলি, যিনি নিজেকে “মাইন্ড হ্যাকার” বলে পরিচয় দেন, হিপনোসিস এবং মনোবিজ্ঞানের জগতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছেন। ব্রিটিশ স্কুল থেকে আঠারো বছর বয়সে তিনি NLP (নিউরো-লিঙ্গুয়িস্টিক প্রোগ্রামিং) সার্টিফিকেট অর্জন করেন এবং এরপর পেশাদারভাবে হিপনোসিস এবং পরামর্শে নিজেকে নিয়োজিত করেন। ওয়ালিদ বলেন, “আমি আলজেরিয়ার—and আরব বিশ্বের—for প্রথমবার হিপনোসিস প্রবর্তন করি এবং এটিকে ব্যবহারিক, দ্রুত ফলপ্রসূভাবে উপস্থাপন করি, বিশেষ করে তাৎক্ষণিক হিপনোসিসের মাধ্যমে, যা কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হিপনোটিক অবস্থা তৈরি করতে পারে।” আরো পড়ুন প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তারেক রহমান, পরাজয় মেনে নিল জামায়াত বঙ্গভবন নয়  দক্ষিণ প্লাজায় মন্ত্রিসভার শপথ ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটনে শান্তি পরিষদে যোগ দেবেন হিপনোসিস বা হিপনোথেরাপি, ওয়ালিদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মনোবিজ্ঞানের একটি শাখা যা অবচেতন মনকে লক্ষ্য করে। শৈশব থেকে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া পর্যন্ত সংরক্ষিত স্মৃতি, আচরণ এবং প্রোগ্রামিংয়ের উপর সরাসরি কাজ করে এটি। এর মাধ্যমে ধূমপান, মাদক, অ্যালকোহল আসক্তি, ফোবিয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি ভয় নিরাময় করা সম্ভব। “আমরা অবচেতন মন পুনঃপ্রোগ্রাম করে মানুষের অসাধারণ ক্ষমতা উদ্দীপিত করতে পারি,” ওয়ালিদ বলেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে হিপনোসিস শুধুমাত্র বিনোদন বা সিনেমার গল্প নয়, বরং একটি বাস্তব এবং কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি। তবে এই ক্ষেত্রটি ভয় এবং কৌতূহল উভয়ই উদ্রেক করে। “সম্মোহনের ভয় প্রায়শই জ্ঞানের অভাব, চলচ্চিত্র এবং গুজব দ্বারা প্রভাবিত হয়। যারা শিখতে এবং পরীক্ষা করতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য এটি একটি...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

পরিবারের দাবিতেও ফেরত দেওয়া হয়নি ফিলিস্তিনি মৃতদেহ

পরিবারের দাবিতেও ফেরত দেওয়া হয়নি ফিলিস্তিনি মৃতদেহ

হারেৎজের ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সংস্করণের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েল পশ্চিম তীর এবং গাজা উপত্যকা থেকে ৭৬৬ জন ফিলিস্তিনি মৃতদেহ বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে। এদের মধ্যে ১০ জন মেয়েও রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য জাতীয়তার ১০ জন ব্যক্তির মৃতদেহও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ধরে রেখেছে। এই মৃতদেহগুলির মধ্যে অধিকাংশ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে নিহতদের, যারা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে—আক্রমণ চালানো, গুলি বর্ষণ বা পাথর নিক্ষেপ—সময়ে মারা গেছে। গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের পরে ৮৮ জনের মৃতদেহ কারাগারে কঠোর অবস্থায় নিহত ফিলিস্তিনি। পশ্চিম তীরে ২০২৫ সালে ৮২ জন পুলিশ হেফাজতে নিহত হয়েছেন, যাদের মৃতদেহ পরে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। হারেৎজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু মৃতদেহ অজ্ঞাত এবং ফ্রিজারে সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া চারটি ইসরায়েলি কবরস্থানে নামবিহীন কবরে আরও মৃতদেহ রাখা হয়েছে। মোট ২৫৬ জনের নাম জানা থাকলেও নথি সংরক্ষণে অনিয়মের কারণে সব মৃতদেহের তথ্য নেই। ১৯৬০ এবং ৭০-এর দশকের মৃতদেহও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফিলিস্তিনি সংগঠন এবং পরিবারের দাবির পরও ইসরায়েল মৃতদেহ ফেরত দিচ্ছে না। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে হারেৎজ জানিয়েছে, মর্গে আরও মৃতদেহ রাখার পর্যাপ্ত ক্ষমতা রয়েছে। ২০১৭ সালে ইসরায়েলি নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা হামাস কর্মীদের এবং “অতিরিক্ত বিপজ্জনক” নিহতদের মৃতদেহ ফেরত না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২০ সালে এই নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারিত হয়েছিল। ফিলিস্তিনি পক্ষ দাবি করছে, এ ধরনের কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন। পরিবারগুলোর মতে, মৃতদেহ ফেরত না দেওয়া এবং তাদের অঙ্গ দখল ও ব্যবহারের বিষয়টি...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটনে শান্তি পরিষদে যোগ দেবেন

ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াশিংটনে শান্তি পরিষদে যোগ দেবেন

ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা'আর ১৯ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর আহ্বানে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রথম শান্তি পরিষদের বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন। বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে গাজার পুনর্গঠন এবং সেখানে একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী মোতায়েনের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো সম্ভাব্য শান্তি প্রক্রিয়ার মানচিত্র, মানবিক সহায়তা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করবে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বৈঠক ইসরায়েলি এবং ফিলিস্তিনি অংশীদারদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি এবং স্থিতিশীলতার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈঠকে ইসরায়েলি প্রতিনিধিদের উপস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে শান্তি প্রক্রিয়ার প্রতি তাদের অঙ্গীকার প্রদর্শনের একটি সংকেত হিসেবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন
ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

“সিয়াম (রোজা) আমার জন্য এবং আমি এর প্রতিদান দেবো।”

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৩৯:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫

“আল্লাহ তাআলা বলেছেন, ‘সিয়াম (রোজা) আমার জন্য, এবং এর প্রতিদান আমি দেবো’।” এই কথা হাদীসে এসেছে, যা বিশেষভাবে রোজার গুরুত্ব এবং এর অতুলনীয় পুরস্কারের বিষয়টি প্রকাশ করে। এখানে মূল হাদীসটির একটি বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

হাদীসটি সহীহ বুখারী এবং সহীহ মুসলিম-এ পাওয়া যায়। এতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন:

“সিয়াম (রোজা) আমার জন্য এবং আমি এর প্রতিদান দেবো।”
(সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৩১০৩; সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১১৫১)

এখানে আল্লাহ তাআলা নিজেই রোজার গুরুত্ব এবং এর প্রতিদানের কথা বলেছেন। অন্যান্য ইবাদতের ক্ষেত্রে পুরস্কার বা প্রতিদান সম্পর্কে সাধারণভাবে বলা হয়, যেমন নামাজের জন্য পুরস্কার, সদকার জন্য পুরস্কার, কিন্তু রোজার ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলা বিশেষভাবে বলেছেন, “এটা আমার জন্য।”

রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন: “রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর কাছে মিসকের গন্ধের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।” (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬০৫৭)

এখানে রাসূল (সা.) বলেছেন যে, রোজাদারের মুখের গন্ধ, যদিও তা মানুষের কাছে অপছন্দনীয় মনে হতে পারে, আল্লাহর কাছে তা এতই প্রিয় যে, এটি মিসকের গন্ধের চেয়েও উত্তম। এটি ইঙ্গিত করে যে, রোজার প্রতিদান এবং এর গুরুত্ব আল্লাহ তাআলার কাছে অসীম।

  • দুনিয়াতে পুরস্কার: রোজা রক্ষা করলে দুনিয়াতে শান্তি, সান্ত্বনা এবং আল্লাহর সাহায্য পাওয়া যায়। রোজা রাখার মাধ্যমে ব্যক্তির আত্মবিশ্বাস এবং ধৈর্য শক্তি বৃদ্ধি পায়।
  • আখিরাতে পুরস্কার: আখিরাতে, যখন মানুষ তার রোজার পুরস্কার পাবে, তখন তা হবে এক বিশাল পুরস্কার, যা কল্পনা করা সম্ভব নয়। আল্লাহ তাআলা রোজার জন্য বিশেষভাবে একটি দরজা খুলে দিয়েছেন, যার নাম “রাইয়ান”। এ দরজা দিয়ে কেবল রোজাদাররা প্রবেশ করতে পারবেন এবং তারা একমাত্র আল্লাহর মেহেরবানির মাধ্যমে সুসংগঠিত পুরস্কার লাভ করবেন।

অতএব, রোজা আল্লাহর জন্য একটি একান্ত এবং বিশেষ ইবাদত, যার প্রতিদান কেবল আল্লাহ নিজেই দেবেন। এই প্রতিদান অসীম এবং চিরস্থায়ী, যা আমাদের কল্পনার বাইরে। এজন্য রোজা রক্ষা এবং সিয়াম পালন করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা মুসলিমদের আধ্যাত্মিক উন্নতি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উপায়।