
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা যদি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন, তবে এটি অনেক দেশের মধ্যে নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে পারে।
যদি তুরস্ক এবং আরব দেশগুলো এই জোটে যোগ দেয়, তবে এটি তাদের মধ্যে সমন্বয় এবং সহযোগিতার নতুন দিক উন্মোচন করতে পারে। সিরিয়া, তুরস্ক এবং আরব দেশগুলির মধ্যে সম্পর্ক সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেশ জটিল ছিল, তবে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রতিরক্ষা জোট গঠন করে তারা একে অপরের নিরাপত্তার প্রতি দৃষ্টি দিতে পারে।
ইসরায়েলের প্রতি এই প্রতিরক্ষা জোটের প্রতিক্রিয়া কী হবে, সেটি লক্ষ্য করার বিষয়। ইতোমধ্যে ইসরায়েল কিছু আরব দেশ যেমন সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন এর সাথে সম্পর্ক উন্নত করেছে, এবং এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কূটনৈতিক ডায়নামিক্স তৈরি হয়েছে।
এমন একটি জোট গঠনের সম্ভাবনা এবং এর প্রভাব উপর আরও বিশদভাবে আলোচনা করা প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে এর সুরক্ষা, কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং অর্থনৈতিক প্রভাবের ক্ষেত্রে।