০৭:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

“ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক: দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত”

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই প্রতিবেশী দেশের সরকারপ্রধানদের মধ্যে প্রথম বৈঠক হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্প্রতি দিল্লিতে চিঠি পাঠানো হয়েছিল, যাতে দুই নেতার বৈঠকের ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছিল। দিল্লি থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর, ঢাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, বৈঠকটি আগামী বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কিছুটা অস্বস্তির মধ্যে ছিল। তবে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের এই টানাপোড়ন কমাতে এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাবেক রাষ্ট্রদূতরা আশাবাদী যে, যদি এই বৈঠকটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের মধ্যে যে স্থবিরতা ছিল, তা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। পররাষ্ট্রসচিব জসীম উদ্দিনও সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন যে, এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অচলাবস্থা কাটানো সম্ভব হতে পারে।

এছাড়া, গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময়ও ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, তবে সে সময় সেটি হয়নি।

ট্যাগ
পোস্টকারীর সকল তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণায় কানাডা, মেক্সিকো ও জাপানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া।

“ড. ইউনূস ও মোদির বৈঠক: দুই দেশের সম্পর্কের নতুন দিগন্ত”

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫১:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দুই প্রতিবেশী দেশের সরকারপ্রধানদের মধ্যে প্রথম বৈঠক হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্প্রতি দিল্লিতে চিঠি পাঠানো হয়েছিল, যাতে দুই নেতার বৈঠকের ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছিল। দিল্লি থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়ার পর, ঢাকাকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, বৈঠকটি আগামী বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর কিছুটা অস্বস্তির মধ্যে ছিল। তবে, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের এই টানাপোড়ন কমাতে এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাবেক রাষ্ট্রদূতরা আশাবাদী যে, যদি এই বৈঠকটি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের মধ্যে যে স্থবিরতা ছিল, তা কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। পররাষ্ট্রসচিব জসীম উদ্দিনও সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন যে, এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অচলাবস্থা কাটানো সম্ভব হতে পারে।

এছাড়া, গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময়ও ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নিয়ে আলোচনা হয়েছিল, তবে সে সময় সেটি হয়নি।