ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে টানা ৯ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী রোববার (৬ এপ্রিল) থেকে আবার শুরু হচ্ছে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কর্তৃক নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। এ কার্যক্রমের আওতায় স্মার্ট পরিবার কার্ডধারী উপকারভোগীরা পরিবেশক বা সরবরাহকারীর দোকানের মাধ্যমে সাশ্রয়ী পণ্য কিনতে পারবেন। এছাড়া স্মার্ট কার্ড ছাড়া সাধারণ মানুষকে ট্রাকে করে তেল, ডাল, চিনি ইত্যাদি পণ্যও বিক্রি করবে টিসিবি।
এছাড়া, খাদ্য অধিদপ্তর তাদের খোলাবাজার বা ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) কর্মসূচির মাধ্যমে সাশ্রয়ী দামে চাল ও আটা বিক্রি করবে। ট্রাকের পাশাপাশি নির্ধারিত পরিবেশক দোকানের মাধ্যমেও চাল-আটা বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করবে খাদ্য অধিদপ্তর।
টিসিবি জানায়, তারা সর্বশেষ ২৭ মার্চ পর্যন্ত সাশ্রয়ী দামে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালিয়েছিল এবং ঈদুল ফিতরের ছুটির পর ৬ এপ্রিল থেকে কার্যক্রম আবার শুরু হবে। বর্তমানে সারা দেশে প্রায় ৬০ লাখ পরিবারের মধ্যে স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা হয়, যা আগের সময়ে এক কোটি পরিবার ছিল। তবে, বর্তমান সরকারের আমলে অনেক পুরনো স্মার্ট কার্ড বাতিল করা হয়েছে এবং নতুন উপকারভোগী চিহ্নিত করে নতুন স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।
টিসিবি দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ ট্রাকের মাধ্যমে সাশ্রয়ী পণ্য বিক্রি করে। প্রতিদিন রাজধানীর ৫০টি স্থানে, চট্টগ্রাম নগরীতে ২০টি স্থানে এবং অন্যান্য বিভাগীয় শহর ও শ্রমঘন অঞ্চলে ট্রাকে পণ্য বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। প্রতিটি ট্রাকে ২০০ জনের জন্য পণ্য থাকে, তবে প্রতিদিনের ভিড়ে পণ্য কিনতে মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি থাকে।
এ কার্যক্রমটি বিশেষভাবে লক্ষ্য করা হচ্ছে যাতে নিম্ন আয়ের জনগণের জন্য সাশ্রয়ী পণ্য সহজলভ্য হয়। টিসিবি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী ৬ এপ্রিল থেকে পুনরায় কার্যক্রম শুরু হলে এ পণ্য বিক্রি ব্যাপকভাবে সাহায্য করবে।
এভাবে, ঈদের ছুটির পর আবার শুরু হতে যাওয়া সাশ্রয়ী পণ্য বিক্রি কার্যক্রম দেশের নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা প্রদান করবে এবং পণ্য পাওয়ার সুবিধা বাড়াবে।
প্রকাশক ও সম্পাদকঃ Abdus Salam
© কপিরাইট সমাচার বিশ্ব ২০২৫ | আমাদের ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।