০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

“লালমনিরহাটে মৃত মুরগি নিয়ে থানায় নারীর অভিযোগ, তদন্ত শুরু”

লালমনিরহাট, ৫ এপ্রিল ২০২৫: শনিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাট সদর থানায় ৫টি মৃত মুরগি নিয়ে হাজির হলেন রশিদা বেগম নামের এক নারী। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি থানার কর্মকর্তাদের জানায়, তার বাড়ির উঠানে গতকাল সকালে পরম যত্নে পালিত চারটি মুরগিকে খাবার দিয়ে ছেড়ে দেয়ার পর তিনি কাজে বের হন। তবে ফিরে এসে দেখেন তার ১১টি মুরগিই মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

রশিদা বেগমের অভিযোগ, “মুরগিগুলোর মৃত্যু শত্রুতার ফল হতে পারে। আমি নিশ্চিত, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ প্রয়োগ করে অথবা অন্য কোনো উপায়ে আমার মুরগিগুলো মেরে ফেলেছে।” তিনি আরো জানান, মুরগিগুলো কিনতে তিনি ভিক্ষা করেছিলেন এবং এগুলিই তার একমাত্র সম্বল ছিল। ডিম বিক্রি ও বাচ্চা ফুটিয়ে বড় করার আশা ছিল তার। “আমি গরিব মানুষ, কারো ক্ষতি করিনি। তবে কেন এমন ঘটল?”—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি থানায় আসেন বিচার চেয়ে।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরনবী জানান, “এটি একটি কষ্টকর ঘটনা। আমরা অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি এবং মুরগিগুলোর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছি।” তিনি আরও বলেন, “অভিযোগকারী নারীর সন্দেহ এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে মৃত মুরগিগুলোর ময়নাতদন্তের জন্য পশুসম্পদ বিভাগে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তে যদি কোনো দায় প্রমাণিত হয়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে, অভিযোগকারী রশিদা বেগম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের না করলেও, পাঁচটি মৃত মুরগি প্রমাণ হিসেবে থানায় নিয়ে এসেছেন। তিনি তার মুরগিগুলোর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

এ ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটন করতে তদন্ত চলছে এবং বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগ

সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশু হুজাইফার মৃত্যু

টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত শিশু হুজাইফার মৃত্যু, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

কক্সবাজারের টেকনাফে বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্তে মিয়ানমারের দিক থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান আর নেই। গুলিবিদ্ধ হওয়ার ২৭ দিন পর শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হুজাইফার চাচা শওকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শনিবার সকালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। তিনি বলেন, “আপনারা সবাই আমার ভাতিজির জন্য দোয়া করবেন।” গত ১১ জানুয়ারি সকালে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় নিজ বাড়ির কাছে অবস্থানকালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের দিক থেকে ছোড়া একটি গুলি এসে হুজাইফার মাথায় লাগে। এতে সে গুরুতর আহত হয়। প্রথমে তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থার অবনতি হলে ওই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় জানান, অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকির কারণে মস্তিষ্কে ঢুকে যাওয়া গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। কেবল মস্তিষ্কের চাপ কমানোর চেষ্টা করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৩ জানুয়ারি শিশুটিকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। হুজাইফার পরিবার জানায়, ঘটনার আগের রাতে সীমান্তের ওপারে দীর্ঘ সময় ধরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। সকালে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত মনে হওয়ায় শিশুটি বাইরে বের হলে আবারও...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ভোলার মনপুরায় বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১০

ভোলার মনপুরায় বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১০, দৌলতখানে নারী কর্মী হেনস্তার অভিযোগ। ছবিঃসংগৃহীত

ভোলার মনপুরা উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা–কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার ৩ নম্বর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নির্বাচনী গণসংযোগের সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতা–কর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই দলের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়ন সেক্রেটারি আব্দুর রহিম অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ভোট চাইতে গেলে বিএনপির নেতা–কর্মীরা বাধা দেন। পরে সংঘর্ষে জামায়াতের অন্তত পাঁচ থেকে ছয়জন কর্মী আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। অন্যদিকে মনপুরা উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি কামাল উদ্দিন দাবি করেন, ভোট চাওয়ার নামে জামায়াতের নেতা–কর্মীরা সংঘবদ্ধভাবে বিএনপির কর্মীদের ওপর হামলা চালান। এতে বিএনপির পাঁচ নেতা–কর্মী আহত হন। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম ফরাজি বলেন, একটি বাড়িতে ভোট চাইতে যাওয়াকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ ফরিদ উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে এবং নৌবাহিনীও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ক্ষমতার দম্ভে শিশু নির্যাতন: আবারও প্রশ্নের মুখে বিচারহীনতা

এটি এপস্টাইন নয়, এটাই বাংলাদেশের বাস্তবতা

এটি ট্রাম্প, বিল গেটস বা এপস্টেইন ফাইলের কোনো আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারির গল্প নয়। এটি বাংলাদেশের সমাজের উচ্চপর্যায়ের এক নির্মম বাস্তবতা। এখানে অভিযুক্তরা বহুজাতিক ক্ষমতাধর কেউ নন, বরং দেশের অভিজাত শ্রেণির প্রতিনিধি। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মানেই এমন এক আর্থিক ও সামাজিক অবস্থান, যেখানে অনেকের চোখে গরিব মানুষ আর মানুষ হিসেবে গণ্য হয় না। ক্ষমতার দম্ভে নিজেদের মালিক ভাবার এই মানসিকতা থেকেই জন্ম নেয় দাসত্বের সংস্কৃতি। এই ঘটনায় অভিযুক্তের স্ত্রী, যিনি তথাকথিত ‘ভদ্র’ সমাজের প্রতিনিধি, শিশুটিকে মানুষ নয় বরং নিজের সম্পত্তি হিসেবেই দেখেছেন। সেই মানসিকতা থেকেই নির্যাতনের সীমা পেরিয়ে গরম খুন্তির ছ্যাঁকা দেওয়ার মতো অমানবিক কাজ সম্ভব হয়েছে। পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে, সংবাদমাধ্যমে শোরগোল উঠেছে, সমাজে ক্ষণিকের ক্ষোভ দেখা গেছে। কিন্তু অভিজ্ঞতা বলে, গ্রেপ্তার মানেই ন্যায়বিচার নয়। বাংলাদেশে গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির নজির প্রায় নেই বললেই চলে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আইনি লড়াই দীর্ঘ হয়, ভুক্তভোগীর পরিবার উকিল ধরার সামর্থ্য হারায়, আর শেষ পর্যন্ত সামান্য টাকার বিনিময়ে সব চাপা পড়ে যায়। ক্ষমতাবানদের বিরুদ্ধে মামলা শেষ পর্যন্ত যে দুর্বল হয়ে পড়ে, তা নতুন কোনো সত্য নয়। সবচেয়ে ভয়াবহ প্রশ্নটি শিশুদের নিয়ে। যে বয়সে স্কুলে যাওয়ার কথা, খেলাধুলা আর নিরাপদ শৈশবের কথা, সেই বয়সেই এসব শিশু সহ্য করে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। নারী অধিকার, শ্রমিক অধিকার নিয়ে আমরা কথা বলি, সভা করি, পোস্ট লিখি। কিন্তু শিশু অধিকারের...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

চট্টগ্রাম থেকে দ্বিতীয় নির্বাচনী প্রচার শুরু তারেক রহমানের

চট্টগ্রাম থেকে দ্বিতীয় নির্বাচনী প্রচার শুরু তারেক রহমানের

সিলেট সফরের পর চট্টগ্রাম থেকে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু করেছে বিএনপি। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মহানগর ও জেলার শীর্ষ নেতারা। এর আগে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান জানান, তারা নির্ধারিত সময় অনুযায়ী চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের একটি হোটেলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘ইউথ পলিসি টক’-এ অংশ নেবেন তারেক রহমান। সেখানে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, স্বাস্থ্য, নারী ক্ষমতায়ন ও পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির নীতিগত অবস্থান তুলে ধরবেন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। এরপর তিনি চট্টগ্রাম পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী মহাসমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। সমাবেশ শেষে তারেক রহমান ফেনীর পাইলট স্কুল মাঠ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম হাই স্কুল মাঠ, সোনাগাজীর ডিগবাজি খেলার মাঠ, দাউদকান্দি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ এবং নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর বালুর মাঠে ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। সিলেট সফরের মতো চট্টগ্রাম সফরেও বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ত্যাগী নেতারা তার সফরসঙ্গী হয়েছেন। দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর দলের প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফরকে কেন্দ্র করে বন্দরনগরীতে সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ ও উৎসবমুখর...

আরো পড়ুন
ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

৯.৭০ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহ, আজ থেকে মাঠে ১০৫১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

“লালমনিরহাটে মৃত মুরগি নিয়ে থানায় নারীর অভিযোগ, তদন্ত শুরু”

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:১৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

লালমনিরহাট, ৫ এপ্রিল ২০২৫: শনিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে লালমনিরহাট সদর থানায় ৫টি মৃত মুরগি নিয়ে হাজির হলেন রশিদা বেগম নামের এক নারী। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি থানার কর্মকর্তাদের জানায়, তার বাড়ির উঠানে গতকাল সকালে পরম যত্নে পালিত চারটি মুরগিকে খাবার দিয়ে ছেড়ে দেয়ার পর তিনি কাজে বের হন। তবে ফিরে এসে দেখেন তার ১১টি মুরগিই মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

রশিদা বেগমের অভিযোগ, “মুরগিগুলোর মৃত্যু শত্রুতার ফল হতে পারে। আমি নিশ্চিত, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ প্রয়োগ করে অথবা অন্য কোনো উপায়ে আমার মুরগিগুলো মেরে ফেলেছে।” তিনি আরো জানান, মুরগিগুলো কিনতে তিনি ভিক্ষা করেছিলেন এবং এগুলিই তার একমাত্র সম্বল ছিল। ডিম বিক্রি ও বাচ্চা ফুটিয়ে বড় করার আশা ছিল তার। “আমি গরিব মানুষ, কারো ক্ষতি করিনি। তবে কেন এমন ঘটল?”—এমন প্রশ্ন তুলে তিনি থানায় আসেন বিচার চেয়ে।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরনবী জানান, “এটি একটি কষ্টকর ঘটনা। আমরা অভিযোগটি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি এবং মুরগিগুলোর মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছি।” তিনি আরও বলেন, “অভিযোগকারী নারীর সন্দেহ এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রয়োজনে মৃত মুরগিগুলোর ময়নাতদন্তের জন্য পশুসম্পদ বিভাগে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তে যদি কোনো দায় প্রমাণিত হয়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এদিকে, অভিযোগকারী রশিদা বেগম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের না করলেও, পাঁচটি মৃত মুরগি প্রমাণ হিসেবে থানায় নিয়ে এসেছেন। তিনি তার মুরগিগুলোর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

এ ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটন করতে তদন্ত চলছে এবং বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।