০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজউকের দুই সাবেক কর্মকর্তা ও টিউলিপ সিদ্দিক দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত ।

✍️ স্টাফ রিপোর্টার | 📅 ১৫ এপ্রিল ২০২৫ | 🕒 ঢাকা

রাজধানীর গুলশানে অবৈধভাবে ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি দুদকের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র নিশ্চিত করেছে।

🔹 মামলার আসামিরা:

  1. টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক – যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিমন্ত্রী
  2. শাহ মো. খসরুজ্জামান – রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা
  3. সরদার মোশারফ হোসেন – রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১

🔹 মামলার অভিযোগ

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় অবস্থিত ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের একটি অভিজাত ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নম্বর বি/২০১, বাড়ি নম্বর ৫এ ও ৫বি, নতুন নম্বর ১১৩, ১১বি, রোড ৭১) দখল করেন ও পরে তা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে নিজেদের নামে খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করেন।  এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০(বি), ৪০৯, ১৬১–১৬৫(ক), ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

🔹 মামলার তদন্ত কমিটি

মামলাটি তদন্তের জন্য দুদকের উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। টিমের সদস্যরা হলেন:

  • সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া
  • মুবাশ্বিরা আতিয়া তমা
  • এস. এম. রাশেদুল হাসান
  • এ. কে. এম. মর্তুজা আলী সাগর
  • মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
  • উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন

🔹 একই পরিবারে আরেক অভিযোগ: পূর্বাচল প্লট কেলেঙ্কারি

এর আগে, ১০ মার্চ পূর্বাচলে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন, এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক আটটি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে দুদক। এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত ইতোমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

🟨 ঘটনাটির গুরুত্ব:

এই মামলাটি ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততায় বাংলাদেশে উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাশাপাশি, বিদেশে বসবাসকারী প্রভাবশালী বাংলাদেশিদের সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এই ঘটনা।

 

ট্যাগ

দেশে রমজানের চাঁদ দেখা, আজ থেকে সিয়াম সাধনা

দেশে রমজানের চাঁদ দেখা, আজ থেকে সিয়াম সাধনা

বছর ঘুরে আবারও এলো পবিত্র মাহে রমজান। বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম–এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সদ্য গঠিত বিএনপি সরকারের ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ১৬ মার্চ সোমবার দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে। চাঁদ দেখার ঘোষণার পরই দেশজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে নেমে আসে ভিন্ন আবহ। বুধবার রাতেই এশার নামাজের পর মসজিদগুলোতে জামাতে তারাবিহ আদায় করা হয়। তারাবিহর মধ্য দিয়েই মূলত রোজার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। ভোররাতে সাহরি খেয়ে রোজা রাখার নিয়ত করেন মুসলমানরা। রমজান মাস উপলক্ষে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবিহ আদায়ের অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারাবিহ নামাজে কোরআন তিলাওয়াতের পারার পরিমাণে যে ভিন্নতা রয়েছে, তা নিরসনে একটি সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, রমজানের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে মোট ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে এক পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করা হবে। এতে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ শবে কদরে, পবিত্র কোরআন খতম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। রমজান আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধি...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ভোটের আগেই লাল পাসপোর্ট জমা দেন প্রধান উপদেষ্টা

ভোটের আগেই লাল পাসপোর্ট জমা দেন প্রধান উপদেষ্টা

সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তার কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। সরকারের মেয়াদকালেই, প্রায় এক সপ্তাহ আগে ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনি পাসপোর্টটি জমা দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও উপদেষ্টা ও উপদেষ্টার পদমর্যাদার প্রায় ২০ জন তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ইতোমধ্যে হস্তান্তর করেছেন। তবে কয়েকজন এখনো লাল পাসপোর্ট জমা দেননি। এদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণত কূটনৈতিক পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট সরকারের মেয়াদ অনুযায়ী এবং অতিরিক্ত ছয় মাস পর্যন্ত ইস্যু করা হয়। বিদায়ী সরকারের বেশিরভাগ উপদেষ্টা পাসপোর্ট ফেরত দিলেও যারা এখনো দেননি, মেয়াদ শেষে নবায়নের সময় তাদের আর সেই সুবিধা দেওয়া হবে না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেগুলো জমা দিতে হবে। লাল পাসপোর্ট হস্তান্তরকারীদের তালিকায় প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও রয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ আরও কয়েকজন উপদেষ্টা। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবও পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

“আই হ্যাভ এ প্ল্যান” বাস্তবায়ন শুরু: প্রধানমন্ত্রী

“আই হ্যাভ এ প্ল্যান” বাস্তবায়ন শুরু: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর দেশে ফিরে গত ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশ ও জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, “আই হ্যাভ এ প্ল্যান”। সেই পরিকল্পনার অনেক দিক ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে তুলে ধরেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-কে ভোট দিয়ে জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারকে সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এখন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ করা বিএনপি সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। অঙ্গীকার পূরণের এই যাত্রায় ভবিষ্যতেও জনগণের অব্যাহত সমর্থন প্রয়োজন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি কিংবা যারা কাউকেই ভোট দেননি, এই সরকারের কাছে সবার অধিকার সমান। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দলমত, ধর্ম ও দর্শন যার যার হলেও রাষ্ট্র সবার। একজন বাংলাদেশি হিসেবে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে। ভাষণের শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলেন, দেশবাসী যেন নিরাপদ ও সুস্থ থাকেন এবং সরকারের ইতিবাচক পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের তৌফিক লাভ হয়।

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

রেল যোগাযোগ ঢেলে সাজানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

রেল যোগাযোগ ঢেলে সাজানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানুষ যাতে নিজ জেলা বা নিজ বাসায় থেকেও সহজভাবে নির্ধারিত সময়ে অফিস-আদালত ও ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারেন, সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সারা দেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন। ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানানোর আগে সরকার নিজেদের মধ্য থেকেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়। তিনি বলেন, বিএনপির সংসদীয় দলের প্রথম সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, দল থেকে নির্বাচিত কোনো এমপি সরকারি সুবিধায় ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আমদানি করবেন না এবং প্লট সুবিধাও নেবেন না। এটি ন্যায়পরায়ণতার নীতির প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় জনসংখ্যার চাপ প্রায় নিয়ন্ত্রণহীন। জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। এই লক্ষ্যেই রেল যোগাযোগ সহজ, সুলভ ও নিরাপদ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রেল, নৌ, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয়ের উদ্যোগ চলছে। তিনি মনে করেন, রেলব্যবস্থা শক্তিশালী হলে শহরকেন্দ্রিক নির্ভরতা কমবে এবং পরিবেশেরও উন্নতি হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্ভাবনাও কম নয়। বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা গেলে সেটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। নিজেদের দক্ষ করে তুলতে পারলে বিশ্ববাজারেও বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তথ্যপ্রযুক্তি...

আরো পড়ুন
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজউকের দুই সাবেক কর্মকর্তা ও টিউলিপ সিদ্দিক দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত ।

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪২:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

✍️ স্টাফ রিপোর্টার | 📅 ১৫ এপ্রিল ২০২৫ | 🕒 ঢাকা

রাজধানীর গুলশানে অবৈধভাবে ফ্ল্যাট নেওয়ার অভিযোগে যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগনি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেছে।

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক মনিরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। বিষয়টি দুদকের একটি উচ্চপর্যায়ের সূত্র নিশ্চিত করেছে।

🔹 মামলার আসামিরা:

  1. টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক – যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিমন্ত্রী
  2. শাহ মো. খসরুজ্জামান – রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা
  3. সরদার মোশারফ হোসেন – রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা-১

🔹 মামলার অভিযোগ

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় অবস্থিত ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের একটি অভিজাত ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নম্বর বি/২০১, বাড়ি নম্বর ৫এ ও ৫বি, নতুন নম্বর ১১৩, ১১বি, রোড ৭১) দখল করেন ও পরে তা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে নিজেদের নামে খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করেন।  এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০(বি), ৪০৯, ১৬১–১৬৫(ক), ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

🔹 মামলার তদন্ত কমিটি

মামলাটি তদন্তের জন্য দুদকের উপপরিচালক মো. মনিরুল ইসলামের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। টিমের সদস্যরা হলেন:

  • সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া
  • মুবাশ্বিরা আতিয়া তমা
  • এস. এম. রাশেদুল হাসান
  • এ. কে. এম. মর্তুজা আলী সাগর
  • মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম
  • উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন

🔹 একই পরিবারে আরেক অভিযোগ: পূর্বাচল প্লট কেলেঙ্কারি

এর আগে, ১০ মার্চ পূর্বাচলে ৬০ কাঠার প্লট বরাদ্দে অনিয়মের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক একান্ত সচিব সালাউদ্দিন, এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক আটটি অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে দুদক। এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত ইতোমধ্যে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

🟨 ঘটনাটির গুরুত্ব:

এই মামলাটি ক্ষমতাশালী রাজনৈতিক পরিবারের সদস্যদের সম্পৃক্ততায় বাংলাদেশে উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পাশাপাশি, বিদেশে বসবাসকারী প্রভাবশালী বাংলাদেশিদের সম্পদের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে এই ঘটনা।