০৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক কী আরও খারাপের দিকে?

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে ভারত স্পষ্ট করেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো ধরনের বাণিজ্য যুদ্ধ চায় না তারা। ভারতের সরকারি সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা কর্তৃক কিছু বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি হয়তো পাল্টা কোনো কড়া পদক্ষেপ নেবে না। বাংলাদেশ সম্প্রতি তিনটি স্থলবন্দর বন্ধের পাশাপাশি ভারতের সুতা আমদানি বন্ধে সিদ্ধান্ত নেয়, যার নির্দেশনা জারি হয়েছে কেবল গত সপ্তাহে।

ভারতের দাবি, এসব সিদ্ধান্তের আগেই দেশটি নিজেদের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরের চাপ কমাতে বাংলাদেশের জন্য দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, এই সিদ্ধান্তের কোনো প্রভাব নেপাল ও ভুটানে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর পড়বে না।

উল্লেখ্য, এর আগে ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সেভেন সিস্টার্স) নিয়ে মন্তব্য করায় দিল্লি ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বন্ধ করেছে। তবে টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতে, এসব পদক্ষেপের ভিত্তি ছিল প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত কারণ, রাজনৈতিক নয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বেনাপোল কাস্টমসে নিরাপত্তা জোরদার এবং কড়াকড়ির ঘোষণাও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যে বাধা তৈরির উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।

এছাড়া একটি আলোচিত অংশে বলা হয়, “ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ এখন পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য শুরু করেছে।” প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ট্রেডিং কর্পোরেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ৫০ হাজার টন চাল আমদানি করেছে।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তগুলো ঘিরে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা কতটা প্রভাব ফেলবে ভবিষ্যতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে—তা নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ। তবে ভারতীয় সূত্রগুলো এখনই কোনো রকম উত্তেজনা বাড়ানোর পথে হাঁটতে চাচ্ছে না বলেই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ট্যাগ

দেশে রমজানের চাঁদ দেখা, আজ থেকে সিয়াম সাধনা

দেশে রমজানের চাঁদ দেখা, আজ থেকে সিয়াম সাধনা

বছর ঘুরে আবারও এলো পবিত্র মাহে রমজান। বুধবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম–এর সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সদ্য গঠিত বিএনপি সরকারের ধর্মমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়। পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানায়, বৃহস্পতিবার থেকে পবিত্র রমজান মাস গণনা শুরু হবে। সেই হিসাবে আগামী ১৬ মার্চ সোমবার দিবাগত রাতে সারা দেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে। চাঁদ দেখার ঘোষণার পরই দেশজুড়ে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে নেমে আসে ভিন্ন আবহ। বুধবার রাতেই এশার নামাজের পর মসজিদগুলোতে জামাতে তারাবিহ আদায় করা হয়। তারাবিহর মধ্য দিয়েই মূলত রোজার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। ভোররাতে সাহরি খেয়ে রোজা রাখার নিয়ত করেন মুসলমানরা। রমজান মাস উপলক্ষে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবিহ আদায়ের অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারাবিহ নামাজে কোরআন তিলাওয়াতের পারার পরিমাণে যে ভিন্নতা রয়েছে, তা নিরসনে একটি সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, রমজানের প্রথম ছয় দিনে দেড় পারা করে মোট ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে এক পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করা হবে। এতে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ শবে কদরে, পবিত্র কোরআন খতম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। রমজান আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধি...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ভোটের আগেই লাল পাসপোর্ট জমা দেন প্রধান উপদেষ্টা

ভোটের আগেই লাল পাসপোর্ট জমা দেন প্রধান উপদেষ্টা

সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস তার কূটনৈতিক (লাল) পাসপোর্ট হস্তান্তর করেছেন। সরকারের মেয়াদকালেই, প্রায় এক সপ্তাহ আগে ক্ষমতায় থাকাকালীন তিনি পাসপোর্টটি জমা দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও উপদেষ্টা ও উপদেষ্টার পদমর্যাদার প্রায় ২০ জন তাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ইতোমধ্যে হস্তান্তর করেছেন। তবে কয়েকজন এখনো লাল পাসপোর্ট জমা দেননি। এদের মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। সরকারের এক কর্মকর্তা জানান, সাধারণত কূটনৈতিক পাসপোর্ট সংশ্লিষ্ট সরকারের মেয়াদ অনুযায়ী এবং অতিরিক্ত ছয় মাস পর্যন্ত ইস্যু করা হয়। বিদায়ী সরকারের বেশিরভাগ উপদেষ্টা পাসপোর্ট ফেরত দিলেও যারা এখনো দেননি, মেয়াদ শেষে নবায়নের সময় তাদের আর সেই সুবিধা দেওয়া হবে না। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেগুলো জমা দিতে হবে। লাল পাসপোর্ট হস্তান্তরকারীদের তালিকায় প্রধান উপদেষ্টা ছাড়াও রয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, গৃহায়ন ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানসহ আরও কয়েকজন উপদেষ্টা। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী ও ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবও পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন। ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

“আই হ্যাভ এ প্ল্যান” বাস্তবায়ন শুরু: প্রধানমন্ত্রী

“আই হ্যাভ এ প্ল্যান” বাস্তবায়ন শুরু: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর দেশে ফিরে গত ২৫ ডিসেম্বর তিনি দেশ ও জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন, “আই হ্যাভ এ প্ল্যান”। সেই পরিকল্পনার অনেক দিক ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে দেশের বিভিন্ন স্থানে তুলে ধরেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ঘোষকের প্রতিষ্ঠিত দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-কে ভোট দিয়ে জনগণ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারকে সব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এখন এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণ করা বিএনপি সরকারের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেন তিনি। তারেক রহমান বলেন, সরকার ইতোমধ্যে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। অঙ্গীকার পূরণের এই যাত্রায় ভবিষ্যতেও জনগণের অব্যাহত সমর্থন প্রয়োজন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যারা বিএনপিকে ভোট দিয়েছেন, যারা দেননি কিংবা যারা কাউকেই ভোট দেননি, এই সরকারের কাছে সবার অধিকার সমান। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দলমত, ধর্ম ও দর্শন যার যার হলেও রাষ্ট্র সবার। একজন বাংলাদেশি হিসেবে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে। ভাষণের শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করে বলেন, দেশবাসী যেন নিরাপদ ও সুস্থ থাকেন এবং সরকারের ইতিবাচক পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের তৌফিক লাভ হয়।

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

রেল যোগাযোগ ঢেলে সাজানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

রেল যোগাযোগ ঢেলে সাজানোর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানুষ যাতে নিজ জেলা বা নিজ বাসায় থেকেও সহজভাবে নির্ধারিত সময়ে অফিস-আদালত ও ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারেন, সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সারা দেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ ঘোষণা দেন। ভাষণে প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃচ্ছ্রসাধনের আহ্বান জানানোর আগে সরকার নিজেদের মধ্য থেকেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চায়। তিনি বলেন, বিএনপির সংসদীয় দলের প্রথম সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে, দল থেকে নির্বাচিত কোনো এমপি সরকারি সুবিধায় ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি আমদানি করবেন না এবং প্লট সুবিধাও নেবেন না। এটি ন্যায়পরায়ণতার নীতির প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজধানীসহ বিভাগীয় শহরগুলোতে তীব্র যানজট ও জনদুর্ভোগের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় জনসংখ্যার চাপ প্রায় নিয়ন্ত্রণহীন। জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। এই লক্ষ্যেই রেল যোগাযোগ সহজ, সুলভ ও নিরাপদ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রেল, নৌ, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পুনর্বিন্যাস ও সমন্বয়ের উদ্যোগ চলছে। তিনি মনে করেন, রেলব্যবস্থা শক্তিশালী হলে শহরকেন্দ্রিক নির্ভরতা কমবে এবং পরিবেশেরও উন্নতি হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও সম্ভাবনাও কম নয়। বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা গেলে সেটিই হবে দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। নিজেদের দক্ষ করে তুলতে পারলে বিশ্ববাজারেও বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তথ্যপ্রযুক্তি...

আরো পড়ুন
জনপ্রিয় সংবাদ

দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক কী আরও খারাপের দিকে?

প্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৫২:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে ভারত স্পষ্ট করেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো ধরনের বাণিজ্য যুদ্ধ চায় না তারা। ভারতের সরকারি সূত্রের বরাতে বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঢাকা কর্তৃক কিছু বাণিজ্যিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লি হয়তো পাল্টা কোনো কড়া পদক্ষেপ নেবে না। বাংলাদেশ সম্প্রতি তিনটি স্থলবন্দর বন্ধের পাশাপাশি ভারতের সুতা আমদানি বন্ধে সিদ্ধান্ত নেয়, যার নির্দেশনা জারি হয়েছে কেবল গত সপ্তাহে।

ভারতের দাবি, এসব সিদ্ধান্তের আগেই দেশটি নিজেদের বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরের চাপ কমাতে বাংলাদেশের জন্য দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছে যে, এই সিদ্ধান্তের কোনো প্রভাব নেপাল ও ভুটানে বাংলাদেশের রপ্তানির ওপর পড়বে না।

উল্লেখ্য, এর আগে ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল (সেভেন সিস্টার্স) নিয়ে মন্তব্য করায় দিল্লি ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বন্ধ করেছে। তবে টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতে, এসব পদক্ষেপের ভিত্তি ছিল প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত কারণ, রাজনৈতিক নয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বেনাপোল কাস্টমসে নিরাপত্তা জোরদার এবং কড়াকড়ির ঘোষণাও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যে বাধা তৈরির উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।

এছাড়া একটি আলোচিত অংশে বলা হয়, “ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য সীমিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশ এখন পাকিস্তানের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্য শুরু করেছে।” প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান ট্রেডিং কর্পোরেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ ৫০ হাজার টন চাল আমদানি করেছে।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তগুলো ঘিরে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা কতটা প্রভাব ফেলবে ভবিষ্যতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে—তা নিয়ে চলছে বিশ্লেষণ। তবে ভারতীয় সূত্রগুলো এখনই কোনো রকম উত্তেজনা বাড়ানোর পথে হাঁটতে চাচ্ছে না বলেই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।