০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিনয়ের কান্না

অশ্রু

✍ গল্প | শোক, অভিনয় আর এক নিঃশ্বাসের গল্প

রাত তখন প্রায় তিনটা।
চাঁদটা জানালার ফাঁক গলে ঘরের মেঝেতে সাদা আলো ছড়িয়ে দিয়েছে।
ঘরে নিস্তব্ধতা, যেন পৃথিবীও থমকে আছে।
সুদর্শনা চুপচাপ বসে আছে দুই সন্তানের পাশে।
তাদের ঘুমন্ত মুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে। মাথা নিচু করে বলে,
“তোমরা ভালো থাকো… যেখানে যাচ্ছো।”

তারপর…

আস্তে করে এগিয়ে যায় ছোট ছেলেটার দিকে।
তিন বছর বয়স। মুখে লেগে থাকা আধো হাসি এখনও নিস্পাপ।
সুদর্শনা তার গলায় হাত রাখে। ধীরে ধীরে চেপে ধরে।
ছেলেটা ছটফট করে, ঠোঁট কেঁপে ওঠে, কিন্তু কোনো শব্দ বের হয় না।

তারপর বড় মেয়েটার দিকে যায়।
মেয়েটা একটু বড়— পাঁচ বছর।
সে জেগে যায়, কিছু বোঝার আগেই তার মুখে চেপে ধরে বালিশ।

সেই রাতে ঘরে আর কোনো শব্দ ছিল না, শুধু একটা নিঃশব্দ কান্না—
যেটা হয়তো সুদর্শনার নিজের মধ্যেই কোথাও ছিল, অথবা একেবারেই ছিল না।


সকাল বেলা…

পাড়া কাঁপিয়ে ওঠে তার চিৎকারে।
“আমার বাচ্চাগুলারে কে মারল! ও আল্লাহ, আমি শেষ!”
চোখে পানি, গলায় কাঁপুনি, বুক চাপড়ে কান্না— যেন এক ভাঙাচোরা মায়ের সর্বনাশ।

পাড়ার মানুষ ছুটে আসে। কেউ পানি দেয়, কেউ ছেলেমেয়েদের গায়ে হাত বুলায়।
সবাই শোকাহত, কেউ ভাবেনি মায়ের চোখের কান্নাও অভিনয় হতে পারে।


কিন্তু সত্য বেশিদিন লুকিয়ে থাকে না।

পুলিশ আসে। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ।
সুদর্শনার মুখের ভেতরের ভয় একসময় চোখে ধরা পড়ে।
তার চোখের পানি শুকিয়ে যায়, কণ্ঠ ভারী হয়, শরীর কেঁপে ওঠে।

একসময় ভেঙে পড়ে।
নিচু গলায় বলে—
“আমি… আমি নিজেই… ওদের মেরে ফেলছি।”
ঘর নিস্তব্ধ হয়ে যায় আবার, তবে এবার আর শান্তির নিস্তব্ধতা নয়—
এবার সেটা এক ভয়াবহ বাস্তবতার কফিন।


সেদিন থেকে সেই পাড়ায় আর কেউ চোখের পানি দেখলে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে না।
কারণ সবাই জানে— সব কান্না সত্যি হয় না।
কিছু কান্না হয় পর্দার, মুখোশের, আর মা হওয়ার অভিনয়ের।

ট্যাগ

সমালোচনা আমাকে আর প্রভাবিত করে না’: মালাইকা অরোরা

ব্যক্তিগত জীবন, পোশাক এবং ক্যারিয়ার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সমালোচনার শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেত্রী ও মডেল মালাইকা অরোরা। তিনি জানান, এই সমালোচনা এখন আর তাকে প্রভাবিত করতে পারে না এবং তিনি নিজেকে ব্যাখ্যা করা বন্ধ করে দিয়েছেন। সম্প্রতি এক ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি তার এই দৃষ্টিভঙ্গির কথা উল্লেখ করেন। মালাইকা বলেন, ‘আমার কী করা উচিত, কী উচিত নয়— তা নিয়ে মানুষ সব সময় উপদেশ দিতে থাকে! আমার কর্মজীবন, পোশাক কিংবা সম্পর্ক— সবকিছু নিয়েই তারা বিচার করে। কিন্তু যেদিন থেকে আমি নিজেকে ব্যাখ্যা করা বন্ধ করেছি, সেদিনই আমি সত্যিকারের মুক্তি পেয়েছি। এখন আমি কেবল নিজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, আমি নিজেই যে গল্প লিখব, সেটাই আমার কাছে মুখ্য।’ তিনি আরও যোগ করেন, “অনেকেই আমাকে ‘খুব সাহসী’ বা ‘খুব স্পষ্টভাষী’ বলে আখ্যায়িত করে। আগে এটা নেগেটিভিটি ধরতাম,কিন্তু এখন আমি এটাকে আমার দুর্বলতা নয়, বরং শক্তি হিসেবেই দেখি। আমার মনে হয়, যদি আমি কারও জন্য ‘খুব বেশি’ হই, তবে সেটা তাদের সমস্যা, তারা হয়তো আমার জন্য যথেষ্ট নন।” ব্যক্তিগত জীবন: মালাইকা অরোরার ব্যক্তিগত জীবন মিডিয়া ও সাধারণ মানুষের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। ১৯৯৮ সালে তিনি বলিউড অভিনেতা আরবাজ খানকে বিয়ে করেন। nearly ১৯ বছর দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর ২০১৭ সালে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়। এরপর তিনি অভিনেতা অর্জুন কাপুরের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

আজকের গল্প ময়লা জামা

গল্প শুরু করার আগে চলুন একবার ছবির দিকে নজর দিই—একজন নারী কাপড় শুকাতে দিচ্ছেন দড়িতে। ছবিটা ভালো করে দেখেছেন তো?এবার চলুন, গল্পটা শুরু করা যাক। এক তরুণ দম্পতি নতুন একটি বাড়িতে উঠল।পরদিন সকালে তারা নাশতা করছিল। হঠাৎ তরুণী জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখে—পাশের বাড়ির এক নারী কাপড় ধুয়ে দড়িতে মেলে দিয়েছেন। তরুণী বিস্মিত হয়ে স্বামীকে বলল,“দেখো! ওনার কাপড়গুলো একেবারেই পরিষ্কার না। মনে হয় ধোয়া জানে না। নিশ্চয়ই ওনার ভালো ডিটারজেন্ট দরকার।” স্বামী কিছু বলল না, শুধু চুপচাপ শুনে গেল। এরপর প্রায় প্রতিদিনই, যখনই প্রতিবেশী কাপড় মেলে দিতেন, তরুণী একই মন্তব্য করত—“ওনার কাপড়গুলো কখনোই পরিষ্কার হয় না।” এভাবেই কেটে গেল প্রায় এক মাস। একদিন সকালে হঠাৎ জানালা দিয়ে তাকিয়ে তরুণী অবাক হয়ে বলল—“আরে দেখো! আজ তো ওনার কাপড়গুলো একেবারে ঝকঝকে পরিষ্কার। নিশ্চয়ই কেউ ওনাকে কাপড় ধোয়া শিখিয়ে দিয়েছে!” তখন স্বামী মুচকি হেসে উত্তর দিল—“না, আজ সকালে আমি আমাদের জানালার কাচগুলো মুছে দিয়েছি।” আমরা প্রায়ই অন্যের ভুল খুঁজতে ব্যস্ত থাকি। অথচ সমস্যা হয়তো লুকিয়ে থাকে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতেই।যদি আমাদের চোখ ঈর্ষা, রাগ আর অভিযোগে ঢেকে যায়, তবে অন্যের ভালো কাজও খারাপ মনে হবে। তাই অন্যকে সমালোচনা করার আগে নিজের জানালার কাচ মুছে নেওয়াই ভালো—অর্থাৎ, আগে নিজের মনকে পরিষ্কার করা উচিত। আপনি কাউকে যেমন ভাবে বিচার করেন, সেটিই বলে দেয় আপনি আসলে কেমন মানুষ।

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ক্যাপ্টেন ইমরান কালাম চৌধুরী, সিঙ্গাপুর থেকে

সিঙ্গাপুরে রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী উদযাপন করল বাংলাদেশ সোসাইটি

বাংলা সাহিত্যের দুই মহান পুরুষ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ সোসাইটি (SBS) এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২৬ জুলাই ২০২৫ তারিখে সিঙ্গাপুরের নানিয়াং টেকনোলজিকাল ইউনিভার্সিটি (NTU)-র অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে প্রবাসী বাঙালিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া মাইলস্টোন স্কুল ট্র্যাজেডির অকালপ্রয়াত শিশুদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, “এই নীরবতা শুধু শোক প্রকাশ নয়, বরং আমাদের এক প্রতিজ্ঞা— ভবিষ্যতে যেন এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আর না ঘটে, তার জন্য আমরা সকলে সচেতন ও দায়িত্বশীল হব।” সোসাইটির সভাপতি সানোয়ার ডিটো তাঁর বক্তব্যে বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ও নজরুল শুধু কবিই নন, তাঁরা আমাদের জাতিসত্তার প্রতীক। তাঁদের সাহিত্য ও সংগীত আজও মানবতা, সাম্য ও স্বাধীনতার বার্তা বহন করে। এই দুই কবির জয়ন্তী একসাথে উদযাপন করার মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের জাতীয় ঐক্যের পরিচয় তুলে ধরতে চাই।” অনুষ্ঠানে ছিল সিঙ্গাপুরের প্রথিতযশা শিল্পীদের কণ্ঠে রবীন্দ্রসঙ্গীত ও নজরুলগীতি, আবৃত্তি সংগঠন 'কহন'-এর পরিবেশনায় কবিতার আবৃত্তি, রবীন্দ্র ও নজরুল রচনার উপর ভিত্তি করে নৃত্য পরিবেশনা, এবং SBS-CFA (Center for Arts)-এর শিশু ও কিশোর অংশগ্রহণকারীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা। দর্শকদের মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও স্থানীয় বাঙালি ও বিদেশি সংস্কৃতিপ্রেমীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনায় ছিলেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক তৌহিদা রহমান টিনা, যিনি মাযারুল...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ইউরোপীয় গুপ্তচর ‘আবদুল গফ্ফার’-এর মক্কা অভিযান

🔹 ইসলামগ্রহণকারী ইউরোপীয় 'গুপ্তচর' ১৮৮৪ সালের ২৮ আগস্ট, নেদারল্যান্ডসের তরুণ এক ব্যক্তি জেদ্দা উপকূলে এসে পৌঁছান। বয়স তখন ২৭। উদ্দেশ্য: হজযাত্রী সেজে মক্কায় প্রবেশ করা এবং ইন্দোনেশিয়ান মুসলমানদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে নিজের দেশের সরকারকে পাঠানো। তার নাম ক্রিশ্চিয়ান সনুক হারখ্রোনয়ে। এই তরুণ ছিলেন ডাচ সরকারপ্রেরিত একজন গুপ্তচর। তার মিশন ছিল মক্কায় গিয়ে ইন্দোনেশিয়ার আচেহ অঞ্চলের হজযাত্রীদের ওপর নজর রাখা, কারণ ডাচ সরকার আশঙ্কা করছিল— এরা মক্কার আলেমদের কাছ থেকে উপনিবেশবিরোধী প্রেরণা নিয়ে দেশে ফিরে আসতে পারে। 🔹 ধর্মান্তরের অভিনয় লাইডেন ইউনিভার্সিটির ধর্মতত্ত্বে পিএইচডি করা হারখ্রোনয়ে, ইসলাম বিষয়ে বিস্তৃত জ্ঞান রাখতেন। মক্কা সফরের জন্য তাকে মুসলিম পরিচয় নিতে হয়। তাই তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং নতুন নাম রাখেন আবদুল গফ্ফার। তার সহচর হিসেবে সাথে ছিলেন ইন্দোনেশিয়ান গুপ্তচর রাদান আবু বকর দেজাজি দিনরত, যিনি জেদ্দায় পাঁচ বছর ধরে বসবাস করছিলেন। 🔹 মক্কায় প্রবেশ ও অভ্যন্তরীণ পর্যবেক্ষণ জেদ্দার উসমানীয় গভর্নর ও বিচারকের আস্থাভাজন হয়ে তিনি ১৮৮৫ সালের ২১ জানুয়ারি মক্কায় প্রবেশের অনুমতি পান। তখন মক্কা অটোমান সাম্রাজ্যের কঠোর নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। সেখানে তিনি সাত মাস অবস্থান করেন, মুফতি, আলেম ও সাধারণ মুসলমানদের সঙ্গে মেলামেশা করেন, নামাজ আদায় করেন এবং বিশেষত ইন্দোনেশিয়ান জাভানিজ জনগোষ্ঠী সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। 🔹 ইতিহাসের প্রথম ইউরোপীয় আলোকচিত্রী ও রেকর্ডকারী মক্কা অবস্থানকালে তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল ফটোগ্রাফি...

আরো পড়ুন
ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

অভিনয়ের কান্না

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:২২:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

✍ গল্প | শোক, অভিনয় আর এক নিঃশ্বাসের গল্প

রাত তখন প্রায় তিনটা।
চাঁদটা জানালার ফাঁক গলে ঘরের মেঝেতে সাদা আলো ছড়িয়ে দিয়েছে।
ঘরে নিস্তব্ধতা, যেন পৃথিবীও থমকে আছে।
সুদর্শনা চুপচাপ বসে আছে দুই সন্তানের পাশে।
তাদের ঘুমন্ত মুখে এক অদ্ভুত প্রশান্তি।
একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সে। মাথা নিচু করে বলে,
“তোমরা ভালো থাকো… যেখানে যাচ্ছো।”

তারপর…

আস্তে করে এগিয়ে যায় ছোট ছেলেটার দিকে।
তিন বছর বয়স। মুখে লেগে থাকা আধো হাসি এখনও নিস্পাপ।
সুদর্শনা তার গলায় হাত রাখে। ধীরে ধীরে চেপে ধরে।
ছেলেটা ছটফট করে, ঠোঁট কেঁপে ওঠে, কিন্তু কোনো শব্দ বের হয় না।

তারপর বড় মেয়েটার দিকে যায়।
মেয়েটা একটু বড়— পাঁচ বছর।
সে জেগে যায়, কিছু বোঝার আগেই তার মুখে চেপে ধরে বালিশ।

সেই রাতে ঘরে আর কোনো শব্দ ছিল না, শুধু একটা নিঃশব্দ কান্না—
যেটা হয়তো সুদর্শনার নিজের মধ্যেই কোথাও ছিল, অথবা একেবারেই ছিল না।


সকাল বেলা…

পাড়া কাঁপিয়ে ওঠে তার চিৎকারে।
“আমার বাচ্চাগুলারে কে মারল! ও আল্লাহ, আমি শেষ!”
চোখে পানি, গলায় কাঁপুনি, বুক চাপড়ে কান্না— যেন এক ভাঙাচোরা মায়ের সর্বনাশ।

পাড়ার মানুষ ছুটে আসে। কেউ পানি দেয়, কেউ ছেলেমেয়েদের গায়ে হাত বুলায়।
সবাই শোকাহত, কেউ ভাবেনি মায়ের চোখের কান্নাও অভিনয় হতে পারে।


কিন্তু সত্য বেশিদিন লুকিয়ে থাকে না।

পুলিশ আসে। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ।
সুদর্শনার মুখের ভেতরের ভয় একসময় চোখে ধরা পড়ে।
তার চোখের পানি শুকিয়ে যায়, কণ্ঠ ভারী হয়, শরীর কেঁপে ওঠে।

একসময় ভেঙে পড়ে।
নিচু গলায় বলে—
“আমি… আমি নিজেই… ওদের মেরে ফেলছি।”
ঘর নিস্তব্ধ হয়ে যায় আবার, তবে এবার আর শান্তির নিস্তব্ধতা নয়—
এবার সেটা এক ভয়াবহ বাস্তবতার কফিন।


সেদিন থেকে সেই পাড়ায় আর কেউ চোখের পানি দেখলে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে না।
কারণ সবাই জানে— সব কান্না সত্যি হয় না।
কিছু কান্না হয় পর্দার, মুখোশের, আর মা হওয়ার অভিনয়ের।