০৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যেখানে মা বাঁচান, সেখানে মা-ই কেড়ে নেন প্রাণ

১৮ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার— একদিনে দেশের তিন প্রান্তে তিনটি ঘটনা ঘটে, যেগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ‘মা’। তবে এই তিনটি মা তিনটি ভিন্ন গল্পের নায়িকা— কারও গল্পে ভয়াবহতা, কারও গল্পে লোভ, আর কারও গল্পে ছিল নিঃস্ব ভালোবাসা ও বেদনার ছাপ।

🔴 সন্তান হত্যা করে মায়ের অভিনয়

এক মর্মান্তিক ঘটনায়, এক মা নিজেই গলা কেটে হত্যা করেন তার দুই সন্তানকে। এরপর কান্না ও শোকের অভিনয় করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেন।
তবে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, হত্যাকারী কেউ না— সন্তানের জীবন কেড়ে নিয়েছেন মা নিজেই।

🟠 সন্তান বিক্রি করে বিলাসিতা

আরেক ঘটনায়, মাত্র ৪৫ হাজার টাকায় নিজের সন্তানকে বিক্রি করেন এক মা। সেই টাকায় কিনেছেন মোবাইল ফোন, নুপুর, নাকফুল।
ঘটনার পর ধরা পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেও, তার সেই কান্নায় ছিল না মমতা— ছিল শুধুই ধরা পড়ার ভয়।

🟢 সন্তানের জন্য পাগলপ্রায় এক মা

তৃতীয় ঘটনায়, চট্টগ্রামে ড্রেনে পড়ে যায় এক মায়ের ৬ মাসের শিশু সন্তান। রাত-দিন এক করে ১৪ ঘণ্টা ধরে খুঁজতে থাকেন তিনি
শেষ পর্যন্ত ড্রেন থেকে নিথর দেহ উদ্ধারের সময় মায়ের আহাজারি কাঁপিয়ে তোলে চারপাশ।
এই কান্নায় ছিল না অভিনয়, ছিল শুধুই হারানোর কষ্ট।

 তিনটা কান্না, তিনটা সত্য

একই দিনে— 👉 এক মা সন্তান হত্যা করে কাঁদলেন অভিনয়ে,  👉 এক মা সন্তান বিক্রি করে কাঁদলেন লোভে,  👉 আর এক মা সন্তান হারিয়ে কাঁদলেন বুকফাটা আর্তনাদে।  ‘মা’ শব্দটি আজও পবিত্র।
তবুও কিছু ঘটনা সেই পবিত্রতা রক্ত, লোভ আর নির্মমতায় কলঙ্কিত করে তোলে।

মা কখনো আঁচলে ঢেকে বাঁচান সন্তানকে, আবার কখনো সেই আঁচলেই হয় মৃত্যুর ফাঁস।

ট্যাগ

সৌদি আরব ও কুয়েত লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

সৌদি আরব ও কুয়েত লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার নতুন অধ্যায় তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব ও কুয়েতকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার মধ্যরাতের পর এসব মিসাইল ছোড়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সৌদি আরব ও কুয়েত উভয় দেশই জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলাগুলো সফলভাবে প্রতিহত করেছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী রিয়াদের কাছে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। কিন্তু লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মিসাইলগুলো ধ্বংস করে দেয়। এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে সেটিকে ধ্বংস করা হয়। তবে প্রতিরক্ষা মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ একটি এলাকায় পড়ে সামান্য ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত নিজেদের দূতাবাস আংশিক বা সম্পূর্ণ খালি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে মার্কিন ও মিত্র দেশগুলোর সামরিক উপস্থিতি এবং পাল্টাপাল্টি হুমকির কারণে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

বাহরাইনে ড্রোন হামলা, লক্ষ্য ছিল মার্কিন সেনাদের আবাসস্থল

বাহরাইনে ড্রোন হামলা, লক্ষ্য ছিল মার্কিন সেনাদের আবাসস্থল

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশ বাহরাইনের রাজধানী মানামায় একটি হোটেলে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ও আঞ্চলিক কয়েকটি অসমর্থিত সূত্রের দাবি, সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। খবরে বলা হয়েছে, হামলার আগে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টার দিকে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজধানীতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে। সে সময় কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানায়। এতে বোঝা যায় যে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে আগেই সতর্ক ছিল দেশটির প্রশাসন। স্থানীয় একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রাজধানী মানামার জুফফাইর এলাকায় অবস্থিত একটি হোটেল বা আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। ওই এলাকাতেই মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর অবস্থিত এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বহু সামরিক সদস্য অবস্থান করেন। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ওই নৌবহরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেনাদের আবাসস্থল। তবে হামলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি বাহরাইনের সরকার বা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্তৃপক্ষ। হতাহতের কোনো তথ্যও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একইভাবে ইরানের পক্ষ থেকেও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলার খবর নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে ঘটনাটিকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ইতিকাফে কী কী আমল করবেন?

ইতিকাফে কী কী আমল করবেন?

রমজান মাসের শেষ দশক মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় সময়। এই সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো ইতিকাফ। ইতিকাফের অর্থ হলো দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে মসজিদে অবস্থান করা এবং ইবাদতে মগ্ন থাকা। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফে বসার সুযোগ পাওয়া একজন মুসলমানের জন্য বিরাট নেয়ামত। ইতিকাফের সময়টিকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো কুরআন তিলাওয়াত। অনেক মুসলমানই রমজানের প্রথম অংশে কাজ, ব্যবসা বা পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে কুরআনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না। তাই শেষ দশকের এই সময়টিকে কুরআনের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ হিসেবে নেওয়া যায়। অনেকে চেষ্টা করেন এই দশ দিনের মধ্যেই অন্তত একবার কুরআন খতম করার। ইতিকাফের সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করা এবং ইস্তিগফার করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলেমদের মতে, এই সময়টি নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার অন্যতম সেরা সুযোগ। ইতিকাফে বসে বেশি বেশি তওবা, ইস্তিগফার এবং কান্নাভেজা দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। একই সঙ্গে নিজের পরিবার, সমাজ এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণের জন্য দোয়া করা উত্তম। কারণ এই সময়ের কোনো রাত যদি লাইলাতুল কদর হয়ে যায়, তাহলে সেই দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত এছাড়া ইতিকাফের সময় বেশি বেশি নফল ইবাদত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। শুধু ফরজ...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত

রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত

রমজান মাসের শেষ দশকে মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত হলো ইতিকাফ। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে দুনিয়ার সব ব্যস্ততা থেকে নিজেকে দূরে রেখে মসজিদে অবস্থান করে ইবাদতে নিমগ্ন থাকার এই আমলকে ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আলেমরা বলেন, ইতিকাফ মানুষের আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ। ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো দুনিয়াবি ব্যস্ততা থেকে দূরে সরে আল্লাহর ইবাদতে সম্পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পরিবার, সমাজ, কাজ এবং নানা দায়িত্বের কারণে অনেক সময় গভীরভাবে ইবাদতে মনোনিবেশ করা সম্ভব হয় না। ইতিকাফ সেই সুযোগকে উন্মুক্ত করে দেয়, যেখানে একজন মুসলমান নিরবচ্ছিন্নভাবে আল্লাহর স্মরণ, নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত এবং দোয়া-ইস্তিগফারে সময় ব্যয় করতে পারেন। ১৭ রমজান: বদর যুদ্ধের ঐতিহাসিক দিন। কুরআনুল কারিমেও ইতিকাফের উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-বাকারা ১২৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, তিনি হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাঈল (আ.)-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তাঁরা তাঁর ঘরকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী এবং রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখেন। এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, ইতিকাফের বিধান ইসলামের প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ। হাদিসেও ইতিকাফের গুরুত্ব সম্পর্কে বহু বর্ণনা রয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় হিজরতের পর প্রায় প্রতি বছরই রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন। একবার বিশেষ কারণে ইতিকাফ করতে না পারায় পরের বছর তিনি বিশ দিন ইতিকাফ করেছিলেন বলে হাদিসে উল্লেখ...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

যেখানে মা বাঁচান, সেখানে মা-ই কেড়ে নেন প্রাণ

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:০৫:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

১৮ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার— একদিনে দেশের তিন প্রান্তে তিনটি ঘটনা ঘটে, যেগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ‘মা’। তবে এই তিনটি মা তিনটি ভিন্ন গল্পের নায়িকা— কারও গল্পে ভয়াবহতা, কারও গল্পে লোভ, আর কারও গল্পে ছিল নিঃস্ব ভালোবাসা ও বেদনার ছাপ।

🔴 সন্তান হত্যা করে মায়ের অভিনয়

এক মর্মান্তিক ঘটনায়, এক মা নিজেই গলা কেটে হত্যা করেন তার দুই সন্তানকে। এরপর কান্না ও শোকের অভিনয় করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করেন।
তবে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, হত্যাকারী কেউ না— সন্তানের জীবন কেড়ে নিয়েছেন মা নিজেই।

🟠 সন্তান বিক্রি করে বিলাসিতা

আরেক ঘটনায়, মাত্র ৪৫ হাজার টাকায় নিজের সন্তানকে বিক্রি করেন এক মা। সেই টাকায় কিনেছেন মোবাইল ফোন, নুপুর, নাকফুল।
ঘটনার পর ধরা পড়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেও, তার সেই কান্নায় ছিল না মমতা— ছিল শুধুই ধরা পড়ার ভয়।

🟢 সন্তানের জন্য পাগলপ্রায় এক মা

তৃতীয় ঘটনায়, চট্টগ্রামে ড্রেনে পড়ে যায় এক মায়ের ৬ মাসের শিশু সন্তান। রাত-দিন এক করে ১৪ ঘণ্টা ধরে খুঁজতে থাকেন তিনি
শেষ পর্যন্ত ড্রেন থেকে নিথর দেহ উদ্ধারের সময় মায়ের আহাজারি কাঁপিয়ে তোলে চারপাশ।
এই কান্নায় ছিল না অভিনয়, ছিল শুধুই হারানোর কষ্ট।

 তিনটা কান্না, তিনটা সত্য

একই দিনে— 👉 এক মা সন্তান হত্যা করে কাঁদলেন অভিনয়ে,  👉 এক মা সন্তান বিক্রি করে কাঁদলেন লোভে,  👉 আর এক মা সন্তান হারিয়ে কাঁদলেন বুকফাটা আর্তনাদে।  ‘মা’ শব্দটি আজও পবিত্র।
তবুও কিছু ঘটনা সেই পবিত্রতা রক্ত, লোভ আর নির্মমতায় কলঙ্কিত করে তোলে।

মা কখনো আঁচলে ঢেকে বাঁচান সন্তানকে, আবার কখনো সেই আঁচলেই হয় মৃত্যুর ফাঁস।