০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ক্রিপ্টো লেনদেনে টেলিগ্রামের রেকর্ড আয়: বছরে ১.৪ বিলিয়ন ডলার

২০২৪ সালে জনপ্রিয় বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রাম এর রাজস্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় চারগুণ বেশি। এই তথ্য জানিয়েছে ফাইনান্সিয়াল টাইমস (FT)।

২০২৩ সালে টেলিগ্রামের আয় ছিল মাত্র ৩৪৩ মিলিয়ন ডলার। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এত বিশাল বৃদ্ধির পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে FT উল্লেখ করেছে ক্রিপ্টোকারেন্সি ভিত্তিক অর্থপ্রদানের সুবিধা চালু হওয়া এবং লেনদেন থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব।

টেলিগ্রাম সম্প্রতি একটি পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে, যা ব্যবহারকারীদের অ্যাপের মধ্যেই ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন করার সুযোগ দিচ্ছে। এর ফলে পেমেন্ট-নির্ভর ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এমন আয়ের বৃদ্ধির খবর এমন এক সময় এলো, যখন ২০২৩ সালের আগস্টে টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ ফ্রান্সের প্যারিসে গ্রেপ্তার হন। তখন অনেকেই কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।

কিন্তু এ ধাক্কা সত্ত্বেও, কোম্পানি তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত থাকার কৌশলে সফল হয়েছে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।

 

ট্যাগ

স্বর্ণের দামে স্ফীতি নাকি নতুন যুগের সূচনা?

স্বর্ণের দামে স্ফীতি নাকি নতুন যুগের সূচনা? বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্যারাডাইম শিফটের ইঙ্গিত

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আবারও ইতিহাস গড়ছে। দীর্ঘমেয়াদি প্রবণতার তুলনায় দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী যেসব সম্পদের দাম সাধারণত পরে কমে যায়, স্বর্ণের ক্ষেত্রেও অতীতে তেমনটাই দেখা গেছে। ১৯৭৯ সালের শেষ দিকে সর্বোচ্চে পৌঁছানোর পর পাঁচ বছরের মধ্যে স্বর্ণের দাম প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পড়ে গিয়েছিল। কিন্তু চলতি বছরে ডলারের হিসাবে স্বর্ণের দাম ৬০ শতাংশের বেশি বেড়েছে—গত ৪৬ বছরে যা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স। মূল্যস্ফীতি সমন্বয় করলে দেখা যায়, ইতিহাসে কখনোই স্বর্ণ এত ব্যয়বহুল ছিল না। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এটি কি আরেকটি বিনিয়োগ বুদ্বুদ, নাকি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে একটি মৌলিক পরিবর্তনের সংকেত? চিরন্তন মূল্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত স্বর্ণ হাজার বছর ধরে তার ক্রয়ক্ষমতা ধরে রেখেছে। ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন মুদ্রানীতিগত ব্যবস্থার সঙ্গে স্বর্ণের বাজারমূল্যের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ১৯২০-এর দশকের ঋণধসের পর স্বর্ণের দাম নতুন উচ্চতায় ওঠে। আবার ১৯৭০-এর দশকের দ্বিতীয়ার্ধে ‘গ্রেট ইনফ্লেশন’-এর সময় দাম হঠাৎ বেড়ে যায়। এরপর দুই দশক উচ্চ প্রকৃত সুদের হার ও কম মূল্যস্ফীতির কারণে স্বর্ণ ছিল স্থবির। ২০০০-এর দশকের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদের হার কমালে স্বর্ণ শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি বুল রান। ২০০৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত শূন্য সুদের হার ও কোয়ান্টিটেটিভ ইজিংয়ের যুগে দাম অস্থির হলেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা বজায় ছিল। এই দশকের শুরুতে অর্থনীতিবিদদের মধ্যে একটি ধারণা প্রতিষ্ঠিত হয়—দীর্ঘমেয়াদি প্রকৃত সুদের হারের সঙ্গে স্বর্ণের দাম বিপরীতমুখীভাবে চলে। তাই ২০২২ সালে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো যখন সুদের হার...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আজ বাণিজ্য চুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আজ বাণিজ্য চুক্তি

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র দুই দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বহুল আলোচিত পাল্টা (রেসিপ্রোকাল) শুল্কসংক্রান্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আজ সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা) এ চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তির আওতায় দুদেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম, ভোজ্য তেল, জ্বালানি ও তুলা আমদানির পাশাপাশি মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে সমঝোতা হবে। একই সঙ্গে অশুল্ক বাধা, নিরাপত্তা ও বাজার প্রবেশ–সংক্রান্ত কিছু বিষয়ও চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি সশরীরে অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকলেও ঢাকায় বসে আগেই চুক্তিতে সই করেছেন। তার স্বাক্ষর করা কপি বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে নিয়ে গেছে। বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমানও ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে চুক্তিতে সই করবেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) জেমিয়েসন গ্রিয়ার। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল বাণিজ্য উপদেষ্টার স্বাক্ষর করা চুক্তিপত্র হস্তান্তর করবে এবং ইউএসটিআরের সই করা কপি গ্রহণ করবে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, অতিরিক্ত সচিব ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) অনুবিভাগের প্রধান খাদিজা নাজনীন-এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ওয়াশিংটনে অবস্থান করছে। দলের অন্য সদস্যরা হলেন—যুগ্ম সচিব ফিরোজ উদ্দিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান, সিনিয়র সহকারী সচিব শেখ শামসুল আরেফীন এবং জাতীয়...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

নির্বাচন ঘিরে-মোহাম্মদপুরে নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে সেনাবাহিনী

নির্বাচন ঘিরে-মোহাম্মদপুরে নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে সেনাবাহিনী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে সেনাবাহিনী। এর অংশ হিসেবে শনিবার বিশেষ ফুট প্যাট্রোল পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র ব্রিগেডের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত বসিলা ও শেরেবাংলা সেনা ক্যাম্পের সদস্যরা মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার ও আদাবর এলাকার বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় এই ফুট প্যাট্রোল পরিচালনা করেন। সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, বিশেষ করে সংবেদনশীল এলাকা ও সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের আশপাশে এই নিরাপত্তা তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিহত করা এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। ফুট প্যাট্রোল চলাকালে সেনাসদস্যরা স্থানীয় জনগণের সঙ্গে কথা বলেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থানের বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেন। সেনাবাহিনীর উপস্থিতিতে এলাকাবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও সন্তোষের ভাব লক্ষ্য করা গেছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহলের কারণে তারা নিজেদের আরও নিরাপদ অনুভব করছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকলে একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র ব্রিগেডের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত দিনে ও রাতে এ ধরনের নিরাপত্তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্বে নতুন সার্বভৌম বিনিয়োগ তহবিল

ক্রাউন প্রিন্সের নেতৃত্বে নতুন সার্বভৌম বিনিয়োগ তহবিল

আবু ধাবি আমিরাত এবং সমগ্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিকে সমর্থন করার লক্ষ্যে একটি বৈচিত্র্যময় সার্বভৌম সম্পদ তহবিল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আল এমাদ হোল্ডিং কোম্পানি এবং আবু ধাবি ডেভেলপমেন্ট হোল্ডিং গ্রুপ (এডিকিউ হোল্ডিং)–এর সম্পদ এবং বিনিয়োগ একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে আবু ধাবিতে একটি বিশাল নতুন বিনিয়োগ সত্তা গঠিত হবে, যা শত শত বিলিয়ন ডলারের আনুমানিক সম্পদ পরিচালনা করবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আর্থিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক সুপ্রিম কাউন্সিলের অধীনে এই সত্তার নেতৃত্বে থাকবেন ক্রাউন প্রিন্স। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আল এমাদ এবং এডিকিউ হোল্ডিং-এর সম্পদ একীকরণ কেবল অর্থনৈতিক সঙ্কলন নয়, এটি রাজনৈতিকভাবে ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিশেষত, সৌদি আরবের সঙ্গে কিছু ক্ষেত্রে বিরোধের প্রেক্ষাপটে এটি আবু ধাবির আর্থিক এবং বিনিয়োগিক স্বায়ত্তশাসনকে শক্তিশালী করার একটি স্ট্র্যাটেজিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন বিনিয়োগ সত্তার মাধ্যমে আবু ধাবি বৈচিত্র্যময় বিনিয়োগে প্রবৃদ্ধি ঘটাতে চাইছে। এতে দেশটির অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক কৌশলগত অবস্থান আরও দৃঢ় হবে। এই পদক্ষেপের ফলে স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে আবু ধাবির আর্থিক প্রভাব আরও বিস্তৃত হবে এবং এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতকে বৈশ্বিক বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক প্রভাবশালী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার একটি মূল চাবিকাঠি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরো পড়ুন
ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রিপ্টো লেনদেনে টেলিগ্রামের রেকর্ড আয়: বছরে ১.৪ বিলিয়ন ডলার

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৪৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

২০২৪ সালে জনপ্রিয় বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রাম এর রাজস্ব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় চারগুণ বেশি। এই তথ্য জানিয়েছে ফাইনান্সিয়াল টাইমস (FT)।

২০২৩ সালে টেলিগ্রামের আয় ছিল মাত্র ৩৪৩ মিলিয়ন ডলার। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এত বিশাল বৃদ্ধির পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে FT উল্লেখ করেছে ক্রিপ্টোকারেন্সি ভিত্তিক অর্থপ্রদানের সুবিধা চালু হওয়া এবং লেনদেন থেকে প্রাপ্ত রাজস্ব।

টেলিগ্রাম সম্প্রতি একটি পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে, যা ব্যবহারকারীদের অ্যাপের মধ্যেই ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে লেনদেন করার সুযোগ দিচ্ছে। এর ফলে পেমেন্ট-নির্ভর ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

এমন আয়ের বৃদ্ধির খবর এমন এক সময় এলো, যখন ২০২৩ সালের আগস্টে টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ ফ্রান্সের প্যারিসে গ্রেপ্তার হন। তখন অনেকেই কোম্পানির ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন।

কিন্তু এ ধাক্কা সত্ত্বেও, কোম্পানি তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং বিকাশমান ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত থাকার কৌশলে সফল হয়েছে বলে মনে করছেন প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা।