০৩:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তারেকের কণ্ঠে ফের তড়িঘড়ি নির্বাচনের ডাক—চাপের মুখে সরকার?

  • নাতাশা মুন্নি
  • প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৩১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • ১৯৯ শেয়ার

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোরালো বিতর্ক। সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন, “ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হতে হবে, ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির আয়োজিততারুণ্যের সমাবেশেভিডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা আর চলতে পারে না। জনগণ আর অপেক্ষা করতে রাজি নয়।

বিএনপির এই জোরালো অবস্থানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা দিয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার নয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান সংস্কার কার্যক্রম চোখে পড়েনি। বরং রাজনৈতিক বিভাজন সামাজিক অস্থিরতা বেড়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে বিএনপিরদ্রুত নির্বাচনেরদাবি কিছু দল যৌক্তিক বলে মনে করছে। তাদের মতে, সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েও কোনো রূপরেখা প্রকাশ করেনি, যা অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

তবে একাধিক দল আবার ভিন্ন মতও প্রকাশ করেছে। নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির এই কঠোর অবস্থানকে অনেকে দেখছেন সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে। এনসিপি কয়েকটি ইসলামপন্থি দল বলছে, নির্বাচনের আগে বিচারব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচন অর্থহীন হয়ে পড়বে।

তারা বলছে, শুধুমাত্র সময়ের মধ্যে নির্বাচন নয়, বরং তার আগে প্রয়োজনসংবিধানসম্মত ন্যায়বিচার এবং নির্বাচন কমিশনের কাঠামোগত সংস্কার

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং কিছু রাজনৈতিক দল মনে করছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ২০২৬ সালের শুরুতেই একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন হতে পারে বলে তারা মত দিয়েছে।

বিএনপির নির্বাচনী সময়সীমা নির্ধারণ এবং তারেক রহমানের সরাসরি ঘোষণা নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক মাঠকে আরও উত্তপ্ত করেছে। সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, কিংবা অন্তর্বর্তী প্রশাসন কী বার্তা দেয়, তা এখন দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের দিক নির্দেশ করবে।

ট্যাগ

ইতিকাফে কী কী আমল করবেন?

ইতিকাফে কী কী আমল করবেন?

রমজান মাসের শেষ দশক মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময় সময়। এই সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো ইতিকাফ। ইতিকাফের অর্থ হলো দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে মসজিদে অবস্থান করা এবং ইবাদতে মগ্ন থাকা। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফে বসার সুযোগ পাওয়া একজন মুসলমানের জন্য বিরাট নেয়ামত। ইতিকাফের সময়টিকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগাতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো কুরআন তিলাওয়াত। অনেক মুসলমানই রমজানের প্রথম অংশে কাজ, ব্যবসা বা পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে কুরআনের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিতে পারেন না। তাই শেষ দশকের এই সময়টিকে কুরআনের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ হিসেবে নেওয়া যায়। অনেকে চেষ্টা করেন এই দশ দিনের মধ্যেই অন্তত একবার কুরআন খতম করার। ইতিকাফের সময় আল্লাহর কাছে দোয়া করা এবং ইস্তিগফার করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলেমদের মতে, এই সময়টি নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনার অন্যতম সেরা সুযোগ। ইতিকাফে বসে বেশি বেশি তওবা, ইস্তিগফার এবং কান্নাভেজা দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। একই সঙ্গে নিজের পরিবার, সমাজ এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণের জন্য দোয়া করা উত্তম। কারণ এই সময়ের কোনো রাত যদি লাইলাতুল কদর হয়ে যায়, তাহলে সেই দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত এছাড়া ইতিকাফের সময় বেশি বেশি নফল ইবাদত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়। শুধু ফরজ...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

বদি ও আইভীর জামিন স্থগিত, শুনানি ৯ মার্চ

বদি ও আইভীর জামিন স্থগিত, শুনানি ৯ মার্চ

বগুড়ায় দায়ের করা জুলাই-আগস্টের হত্যাচেষ্টা মামলায় কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন ৯ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশের আপিল বিভাগ-এর চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল ইসলাম সুমন ও মো. আক্তারুজ্জামান। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়ায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বদিকে জামিন দেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট-এর বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের বেঞ্চ। মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট হত্যাচেষ্টা মামলায় চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকা থেকে র‌্যাব আবদুর রহমান বদিকে গ্রেপ্তার করে। রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুর রহমান বদি। তবে দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পরিবর্তে আওয়ামী লীগ তার স্ত্রী শাহীন আক্তারকে মনোনয়ন দেয় এবং তিনি দুই দফায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া চারটি হত্যামামলাসহ মোট পাঁচ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে দেওয়া জামিনও স্থগিত করেছেন একই আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশের আপিল বিভাগ-এর চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আইভীর জামিন বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানির জন্য আগামী ৯ মার্চ দিন...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

জিয়া ও খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

জিয়া ও খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-এর কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) তিনি রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত জিয়াউর রহমানের সমাধি প্রাঙ্গণে যান। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। সমাধিস্থলে পৌঁছে তারা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানান। বর্তমানে জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে সংস্কার কাজ চলায় কবরের ভেতরে প্রবেশ না করে গেটের সামনে থেকেই তারা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কূটনৈতিক মহলের মতে, ঢাকায় সফররত মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই শ্রদ্ধা নিবেদন বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে একটি প্রতীকী কূটনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-সার কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ

গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-সার কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ

গ্যাস সংকটের কারণে নরসিংদীর পলাশে অবস্থিত ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি কারখানায় সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বুধবার (৪ মার্চ) বিকেল থেকে সরকারি নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে উৎপাদন স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. ফখরুল আলম। কারখানা সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি সারকারখানাটিতে শতভাগ উৎপাদন চলছিল। তবে গ্যাস সরবরাহে ঘাটতির কারণে উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। ফলে প্রতিদিন প্রায় ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কারখানার কর্মকর্তারা জানান, এই সার উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে গ্যাসনির্ভর। নিরবচ্ছিন্নভাবে উৎপাদন চালু রাখতে দৈনিক প্রায় ৭১ থেকে ৭২ পিএসআই গ্যাসচাপ প্রয়োজন হয়। তবে অন্তত ৫২ থেকে ৫৩ পিএসআই গ্যাস পাওয়া গেলেও উৎপাদন সীমিতভাবে চালিয়ে রাখা সম্ভব। বর্তমানে প্রয়োজনীয় গ্যাস না থাকায় উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। তারা আরও জানান, কারখানাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরও গুদামে প্রায় ৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন সার মজুত রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে দ্রুতই আবার পূর্ণমাত্রায় উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে কবে নাগাদ গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। এদিকে এ বিষয়ে জানতে পলাশে অবস্থিত তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন পিএলসি-এর স্থানীয় কার্যালয়ে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। পরে দায়িত্বরত ব্যবস্থাপক আল আমিন-এর মোবাইল নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

আরো পড়ুন
ট্যাগ

তারেকের কণ্ঠে ফের তড়িঘড়ি নির্বাচনের ডাক—চাপের মুখে সরকার?

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৩১:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জাতীয় নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোরালো বিতর্ক। সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সরাসরি ঘোষণা দিয়েছেন, “ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন হতে হবে, ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির আয়োজিততারুণ্যের সমাবেশেভিডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, “নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা আর চলতে পারে না। জনগণ আর অপেক্ষা করতে রাজি নয়।

বিএনপির এই জোরালো অবস্থানকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে দেখা দিয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল বলছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার নয় মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান সংস্কার কার্যক্রম চোখে পড়েনি। বরং রাজনৈতিক বিভাজন সামাজিক অস্থিরতা বেড়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে বিএনপিরদ্রুত নির্বাচনেরদাবি কিছু দল যৌক্তিক বলে মনে করছে। তাদের মতে, সরকার সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েও কোনো রূপরেখা প্রকাশ করেনি, যা অনিশ্চয়তা বাড়াচ্ছে।

তবে একাধিক দল আবার ভিন্ন মতও প্রকাশ করেছে। নির্বাচনকে ঘিরে বিএনপির এই কঠোর অবস্থানকে অনেকে দেখছেন সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের কৌশল হিসেবে। এনসিপি কয়েকটি ইসলামপন্থি দল বলছে, নির্বাচনের আগে বিচারব্যবস্থার সংস্কার এবং প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচন অর্থহীন হয়ে পড়বে।

তারা বলছে, শুধুমাত্র সময়ের মধ্যে নির্বাচন নয়, বরং তার আগে প্রয়োজনসংবিধানসম্মত ন্যায়বিচার এবং নির্বাচন কমিশনের কাঠামোগত সংস্কার

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং কিছু রাজনৈতিক দল মনে করছে, ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। বরং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ২০২৬ সালের শুরুতেই একটি পূর্ণাঙ্গ জাতীয় নির্বাচনের আয়োজন হতে পারে বলে তারা মত দিয়েছে।

বিএনপির নির্বাচনী সময়সীমা নির্ধারণ এবং তারেক রহমানের সরাসরি ঘোষণা নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক মাঠকে আরও উত্তপ্ত করেছে। সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, কিংবা অন্তর্বর্তী প্রশাসন কী বার্তা দেয়, তা এখন দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের দিক নির্দেশ করবে।