
গাজার অবরুদ্ধ জনপদে আবারও রক্ত ঝরাল দখলদার ইসরায়েল। ঈদের পরদিন ভোর থেকে চালানো ভয়াবহ হামলায় নতুন করে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৬ জন ফিলিস্তিনি। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।
সংস্থাটি জানিয়েছে, শনিবার (৭ জুন) ভোর থেকেই একের পর এক বিমান ও ড্রোন হামলা চালায় দখলদার বাহিনী। ঈদুল আজহার পরদিন এমন বর্বর হামলায় হতভম্ব স্থানীয় বাসিন্দারা।
শুক্রবার (৬ জুন) গাজায় সীমিত পরিসরে ঈদুল আজহার নামাজ অনুষ্ঠিত হলেও অধিকাংশ মানুষ দিনটি কাটিয়েছেন ক্ষুধা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে। খাদ্য, পানি ও ওষুধ সংকটে বিপর্যস্ত ফিলিস্তিনিরা এবার ঈদের আনন্দ ভুলে বেঁচে থাকার সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন।
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ-এর মুখপাত্র জেমস এল্ডার এক ভিডিওবার্তায় বলেন:
“যখন সারা বিশ্বের মানুষ ঈদ উদযাপন করছে, তখন গাজার শিশুরা ঈদের দিনও অভুক্ত অবস্থায় রাত পার করছে। অথচ তাদেরও তো ছিল এই আনন্দের অধিকার।”
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৫৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার নিন্দা সত্ত্বেও থামছে না এই দখলদার হামলা।
বর্তমানে গাজায় পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে, হাজার হাজার মানুষ জরুরি চিকিৎসা, খাদ্য ও নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য আহাজারি করছে। বহু পরিবার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে, যাদের উদ্ধারে নেই কোনো উপযুক্ত সরঞ্জাম বা সহায়তা।
ইসরায়েলের দখলদারিত্ব, ফিলিস্তিনি জাতির অস্তিত্ব সংকট এবং আন্তর্জাতিক নির্লিপ্ততা নিয়ে আরও বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন চাইলে জানাতে পারেন।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 
















