১১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাইকারিতে দাম কমলেও খুচরায় এখনো ১৩০–১৫০ টাকা

পাইকারিতে দাম কমলেও খুচরায় এখনো ১৩০–১৫০ টাকা

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে মাত্র একদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০ টাকা কমে নেমে এসেছে ৯০ টাকায়। রোববার পর্যন্ত যেখানে পেঁয়াজের পাইকারি দর ছিল ১৩০ টাকা, সেখানে সোমবার দাম কমে ৯০ টাকায় স্থির হয়। তবে রাজধানীসহ দেশজুড়ে খুচরা বাজারে এখনো সেই অনুপাতে দাম কমেনি। ঢাকার বাজারে আজ কোথাও কোথাও কেজিতে ২০ টাকা কমে ১৩০ টাকায় বিক্রি হলেও অনেক বাজারে এখনো ১৫০ টাকার নিচে নামেনি।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরোনো পেঁয়াজের দাম বাজারভেদে কেজিতে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। মুগদা ও মানিকনগর বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৩০–১৪০ টাকায়; অন্যদিকে হাতিরপুল বাজারে কেজিপ্রতি দাম ছিল ১৫০ টাকা। এতে স্পষ্ট হচ্ছে—পাইকারিতে দাম দ্রুত কমলেও খুচরা বাজারে সেই প্রভাব পুরোপুরি পড়তে সময় লাগছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা আগের উচ্চদামে পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনেছেন। পুরোনো সেই স্টক বিক্রি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দোকানে দাম কমবে না। তাদের দাবি, নতুন কমদামের সরবরাহ বাজারে পৌঁছাতে আরও দু’একদিন সময় লাগবে, তখন খুচরা দরও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

এদিকে এক সপ্তাহ আগে কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনায় পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি না দেওয়ার কথা জানান। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পেঁয়াজের দাম ২–৩ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে ১৫০ টাকার ঘরে নিয়ে যায়।

তবে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি দেখে কৃষি মন্ত্রণালয় আমদানির অনুমতির ঘোষণা দিলে বাজারে সঙ্গে সঙ্গে প্রভাব পড়ে। পাইকারি বাজারে দাম এক ঝটকায় আবারও ৪০ টাকা কমে আসে। এখন দেশের খুচরা বাজারেও দাম স্বাভাবিক হতে আর কয়েকদিন সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।

ট্যাগ

জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের অঙ্গীকার বিএনপির

পাইকারিতে দাম কমলেও খুচরায় এখনো ১৩০–১৫০ টাকা

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে মাত্র একদিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০ টাকা কমে নেমে এসেছে ৯০ টাকায়। রোববার পর্যন্ত যেখানে পেঁয়াজের পাইকারি দর ছিল ১৩০ টাকা, সেখানে সোমবার দাম কমে ৯০ টাকায় স্থির হয়। তবে রাজধানীসহ দেশজুড়ে খুচরা বাজারে এখনো সেই অনুপাতে দাম কমেনি। ঢাকার বাজারে আজ কোথাও কোথাও কেজিতে ২০ টাকা কমে ১৩০ টাকায় বিক্রি হলেও অনেক বাজারে এখনো ১৫০ টাকার নিচে নামেনি।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, পুরোনো পেঁয়াজের দাম বাজারভেদে কেজিতে ১৩০ থেকে ১৫০ টাকার মধ্যে। মুগদা ও মানিকনগর বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৩০–১৪০ টাকায়; অন্যদিকে হাতিরপুল বাজারে কেজিপ্রতি দাম ছিল ১৫০ টাকা। এতে স্পষ্ট হচ্ছে—পাইকারিতে দাম দ্রুত কমলেও খুচরা বাজারে সেই প্রভাব পুরোপুরি পড়তে সময় লাগছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, তারা আগের উচ্চদামে পাইকারি বাজার থেকে পেঁয়াজ কিনেছেন। পুরোনো সেই স্টক বিক্রি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দোকানে দাম কমবে না। তাদের দাবি, নতুন কমদামের সরবরাহ বাজারে পৌঁছাতে আরও দু’একদিন সময় লাগবে, তখন খুচরা দরও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

এদিকে এক সপ্তাহ আগে কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনায় পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি না দেওয়ার কথা জানান। তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পেঁয়াজের দাম ২–৩ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়ে ১৫০ টাকার ঘরে নিয়ে যায়।

তবে পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি দেখে কৃষি মন্ত্রণালয় আমদানির অনুমতির ঘোষণা দিলে বাজারে সঙ্গে সঙ্গে প্রভাব পড়ে। পাইকারি বাজারে দাম এক ঝটকায় আবারও ৪০ টাকা কমে আসে। এখন দেশের খুচরা বাজারেও দাম স্বাভাবিক হতে আর কয়েকদিন সময় লাগতে পারে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।