১০:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিপের দাম বাড়ায় ২০২৬ সালে স্মার্টফোন বাজারে ধস

চিপের দাম বাড়ায় ২০২৬ সালে স্মার্টফোন বাজারে ধস

চিপের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপের কারণে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে প্রযুক্তি-কেন্দ্রিক বাজার গবেষণা সংস্থা কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ। মঙ্গলবার প্রকাশিত সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছর স্মার্টফোন বাজারে প্রায় ২.১ শতাংশ সংকোচন ঘটবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উন্নত সেমিকন্ডাক্টর ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি চিপের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় এই খাতে তীব্র প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ইলেকট্রনিক্স সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটছে এবং উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, স্মার্টফোন নির্মাতারা এখন এআই সার্ভার, ডেটা সেন্টার ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সেক্টরের সঙ্গে একই ধরনের উন্নত মেমোরি চিপের জন্য প্রতিযোগিতায় পড়েছে। এতে স্মার্টফোন খাত প্রয়োজনীয় চিপ সংগ্রহে পিছিয়ে পড়ছে এবং দাম বাড়ার চাপ সরাসরি ভোক্তাদের ওপর পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন খরচ বাড়ার ফলে অনেক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নতুন মডেল উন্মোচন বিলম্বিত করতে পারে কিংবা উচ্চমূল্যের ফোনে মনোযোগ বাড়াতে পারে, যা গণভোক্তাদের মধ্যে চাহিদা কমিয়ে দেবে। বিশেষ করে মধ্য ও নিম্ন আয়ের বাজারগুলোতে স্মার্টফোন বিক্রিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিবেদনটি বলছে, যদি ২০২৬ সালের মধ্যে চিপ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি না হয় এবং দাম স্থিতিশীল না হয়, তাহলে স্মার্টফোন শিল্পকে আরও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হবে। এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার যেখানে নতুন সুযোগ তৈরি করছে, সেখানে একই সঙ্গে স্মার্টফোন বাজারের জন্য তা নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখা দিচ্ছে।

চিপের দাম বাড়ায় ২০২৬ সালে স্মার্টফোন বাজারে ধস

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫

চিপের দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপের কারণে ২০২৬ সালে বৈশ্বিক স্মার্টফোন বাজারে উল্লেখযোগ্য পতন ঘটতে পারে বলে সতর্ক করেছে প্রযুক্তি-কেন্দ্রিক বাজার গবেষণা সংস্থা কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ। মঙ্গলবার প্রকাশিত সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী বছর স্মার্টফোন বাজারে প্রায় ২.১ শতাংশ সংকোচন ঘটবে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অ্যাপ্লিকেশনের জন্য উন্নত সেমিকন্ডাক্টর ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন মেমোরি চিপের চাহিদা দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় এই খাতে তীব্র প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে ইলেকট্রনিক্স সরবরাহ শৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটছে এবং উৎপাদন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, স্মার্টফোন নির্মাতারা এখন এআই সার্ভার, ডেটা সেন্টার ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং সেক্টরের সঙ্গে একই ধরনের উন্নত মেমোরি চিপের জন্য প্রতিযোগিতায় পড়েছে। এতে স্মার্টফোন খাত প্রয়োজনীয় চিপ সংগ্রহে পিছিয়ে পড়ছে এবং দাম বাড়ার চাপ সরাসরি ভোক্তাদের ওপর পড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন খরচ বাড়ার ফলে অনেক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নতুন মডেল উন্মোচন বিলম্বিত করতে পারে কিংবা উচ্চমূল্যের ফোনে মনোযোগ বাড়াতে পারে, যা গণভোক্তাদের মধ্যে চাহিদা কমিয়ে দেবে। বিশেষ করে মধ্য ও নিম্ন আয়ের বাজারগুলোতে স্মার্টফোন বিক্রিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রতিবেদনটি বলছে, যদি ২০২৬ সালের মধ্যে চিপ সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি না হয় এবং দাম স্থিতিশীল না হয়, তাহলে স্মার্টফোন শিল্পকে আরও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে হবে। এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার যেখানে নতুন সুযোগ তৈরি করছে, সেখানে একই সঙ্গে স্মার্টফোন বাজারের জন্য তা নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখা দিচ্ছে।