
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি কাছাকাছি। সোমবার দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি বলেন, কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের ফলে শান্তির পথে বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে, যা দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসানের সম্ভাবনা তৈরি করছে।
এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপের প্রধান শক্তিগুলো—জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য—এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে ওয়াশিংটনের সমর্থনে একটি বহুজাতিক বাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাবিত এই বাহিনীর লক্ষ্য হবে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখা এবং ভবিষ্যতে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়া রোধ করা।
বার্লিনে অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকপফ এবং ইউরোপীয় নেতারা নিরাপত্তা গ্যারান্টি নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে ইউক্রেনের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করার বিষয়ে কিছু অগ্রগতি হয়েছে বলে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।
তবে আলোচনায় এখনও বড় ধরনের মতবিরোধ রয়ে গেছে। বিশেষ করে দোনেস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চলে আঞ্চলিক ছাড় দেওয়ার প্রশ্নে ইউক্রেন ও রাশিয়ার অবস্থান পরস্পরবিরোধী। এই ইস্যু শান্তি চুক্তির পথে প্রধান বাধা হিসেবে রয়ে গেছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।
তারপরও ট্রাম্প প্রশাসন এবং ইউরোপীয় মিত্ররা মনে করছেন, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক তৎপরতা যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি বাস্তবসম্মত করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদি নিরাপত্তা গ্যারান্টি ও আঞ্চলিক বিরোধে সমাধান আনা যায়, তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি সামনে আসতে পারে।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 



















