১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাওয়ার প্লেতে নিয়ন্ত্রিত, শেষদিকে চাপে পড়লেন মুস্তাফিজ

পাওয়ার প্লেতে নিয়ন্ত্রিত, শেষদিকে চাপে পড়লেন মুস্তাফিজ

শারজা ওয়ারিয়র্জের বিপক্ষে আইএল টি-টোয়েন্টির লিগ পর্বের নবম ম্যাচে দারুণ সূচনা করেন দুবাই ক্যাপিটালসের বাংলাদেশি তারকা মুস্তাফিজুর রহমান। শুরুতে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখলেও শেষের দিকে কিছুটা খরুচে হয়ে পড়েন এই বাঁহাতি পেসার।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন মুস্তাফিজ। প্রথম দুই বলে একটি করে সিঙ্গেল দিলেও পরের চারটি বলই ছিল ডট। কার্যকর কাটার ও লাইন-লেংথে তিনি দ্রুতই ব্যাটসম্যানদের আটকে দেন। পাওয়ার প্লেতে নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে ৯ রান খরচ করেন তিনি।

দুই ওভারে ১১ রান দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় বিরতির পর নিজের শেষ স্পেল করতে ফেরেন মুস্তাফিজ। ১৪তম ওভারে বল হাতে নিয়ে প্রথম বলেই সিকান্দার রাজাকে ফিরতি ক্যাচে তুলে নিয়ে দলকে বড় সাফল্য এনে দেন তিনি। ওই ওভারে মাত্র ৪ রান খরচ করেন এই পেসার।

তিন ওভারে ১২ রান দিয়ে বেশ নিয়ন্ত্রিত থাকলেও শেষ ওভারে কিছুটা খরুচে হন মুস্তাফিজ। ইনিংসের শেষের আগের ওভারে বোলিং করে ১২ রান দেন তিনি। ওভারের শেষ তিন বলে ৯ রান আসে, যেখানে হারমিত সিং ও আদিল রশিদ দুটি চার হাঁকান।

সব মিলিয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ২৭ রান খরচায় ১ উইকেট শিকার করেন। লিগ পর্বে এক ম্যাচ হাতে রেখে তার উইকেট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫-তে। ম্যাচে দুটি উইকেট নেওয়ায় তাকে টপকে শীর্ষে উঠে গেছেন দুবাই ক্যাপিটালসের সতীর্থ ওয়াকার সালামখিল, যার উইকেট সংখ্যা ১৭।

এদিকে, শারজা ওয়ারিয়র্জ নির্ধারিত ওভারে সংগ্রহ করে ১৩৪ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন ওপেনার জনসন চার্লস। তিনি ৪৬ বল মোকাবিলা করে ৪৩ রান করেন। এছাড়া মোনাঙ্ক প্যাটেল ১৩ বলে দ্রুত ২৪ রান যোগ করেন। শেষ দিকে আদিল রশিদ ৯ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের রান এগিয়ে নেন।

পাওয়ার প্লেতে নিয়ন্ত্রিত, শেষদিকে চাপে পড়লেন মুস্তাফিজ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:২১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

শারজা ওয়ারিয়র্জের বিপক্ষে আইএল টি-টোয়েন্টির লিগ পর্বের নবম ম্যাচে দারুণ সূচনা করেন দুবাই ক্যাপিটালসের বাংলাদেশি তারকা মুস্তাফিজুর রহমান। শুরুতে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের চাপে রাখলেও শেষের দিকে কিছুটা খরুচে হয়ে পড়েন এই বাঁহাতি পেসার।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন মুস্তাফিজ। প্রথম দুই বলে একটি করে সিঙ্গেল দিলেও পরের চারটি বলই ছিল ডট। কার্যকর কাটার ও লাইন-লেংথে তিনি দ্রুতই ব্যাটসম্যানদের আটকে দেন। পাওয়ার প্লেতে নিজের দ্বিতীয় ওভার করতে এসে ৯ রান খরচ করেন তিনি।

দুই ওভারে ১১ রান দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় বিরতির পর নিজের শেষ স্পেল করতে ফেরেন মুস্তাফিজ। ১৪তম ওভারে বল হাতে নিয়ে প্রথম বলেই সিকান্দার রাজাকে ফিরতি ক্যাচে তুলে নিয়ে দলকে বড় সাফল্য এনে দেন তিনি। ওই ওভারে মাত্র ৪ রান খরচ করেন এই পেসার।

তিন ওভারে ১২ রান দিয়ে বেশ নিয়ন্ত্রিত থাকলেও শেষ ওভারে কিছুটা খরুচে হন মুস্তাফিজ। ইনিংসের শেষের আগের ওভারে বোলিং করে ১২ রান দেন তিনি। ওভারের শেষ তিন বলে ৯ রান আসে, যেখানে হারমিত সিং ও আদিল রশিদ দুটি চার হাঁকান।

সব মিলিয়ে মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ২৭ রান খরচায় ১ উইকেট শিকার করেন। লিগ পর্বে এক ম্যাচ হাতে রেখে তার উইকেট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫-তে। ম্যাচে দুটি উইকেট নেওয়ায় তাকে টপকে শীর্ষে উঠে গেছেন দুবাই ক্যাপিটালসের সতীর্থ ওয়াকার সালামখিল, যার উইকেট সংখ্যা ১৭।

এদিকে, শারজা ওয়ারিয়র্জ নির্ধারিত ওভারে সংগ্রহ করে ১৩৪ রান। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করেন ওপেনার জনসন চার্লস। তিনি ৪৬ বল মোকাবিলা করে ৪৩ রান করেন। এছাড়া মোনাঙ্ক প্যাটেল ১৩ বলে দ্রুত ২৪ রান যোগ করেন। শেষ দিকে আদিল রশিদ ৯ বলে ১৪ রানে অপরাজিত থেকে দলের রান এগিয়ে নেন।