১১:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রপ্তানি ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহযোগিতার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

রপ্তানি ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহযোগিতার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের চেতনায় একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হবে।

৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২৬ (ডিআইটিএফ) উপলক্ষ্যে ৩১ ডিসেম্বর জারি করা এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্য অর্জনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, মেলাটি প্রথমে ১ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তারিখ পরিবর্তন করে ৩ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা তার বাণীতে বলেন, ‘এই মেলা একটি অনন্য উদ্যোগ, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরবে।’ তিনি আরও বলেন, ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উপলক্ষ্যে দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসাধারণকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

ড. ইউনূস বলেন, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাসব্যাপী আয়োজিত এই মেলা দেশীয় গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য দেশি-বিদেশি দর্শক, ভোক্তা ও আমদানিকারকদের সামনে তুলে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রেখে আসছে। একই সঙ্গে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তারা বিদেশি পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করছেন।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি মনে করেন।

প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, এই মেলার মাধ্যমে দেশীয় পণ্যের প্রচার, পণ্য বহুমুখীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করলে মেলাটি আরও সুন্দর, ক্রেতাবান্ধব ও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ৩০তম ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

ইরানের হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

রপ্তানি ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহযোগিতার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৫০:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় (ডিআইটিএফ) অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের চেতনায় একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেছেন, এই সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর অর্থনৈতিক সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হবে।

৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০২৬ (ডিআইটিএফ) উপলক্ষ্যে ৩১ ডিসেম্বর জারি করা এক বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্য অর্জনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, মেলাটি প্রথমে ১ জানুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তারিখ পরিবর্তন করে ৩ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

প্রধান উপদেষ্টা তার বাণীতে বলেন, ‘এই মেলা একটি অনন্য উদ্যোগ, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা তুলে ধরবে।’ তিনি আরও বলেন, ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উপলক্ষ্যে দেশি-বিদেশি শিল্প উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসাধারণকে তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছেন।

ড. ইউনূস বলেন, দেশীয় পণ্যের প্রচার ও বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাসব্যাপী আয়োজিত এই মেলা দেশীয় গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য দেশি-বিদেশি দর্শক, ভোক্তা ও আমদানিকারকদের সামনে তুলে ধরতে কার্যকর ভূমিকা রেখে আসছে। একই সঙ্গে স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ভোক্তারা বিদেশি পণ্যের মান, নকশা ও বৈশ্বিক প্রবণতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করছেন।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা অর্থনৈতিক সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হিসেবে কাজ করবে বলে তিনি মনে করেন।

প্রধান উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, এই মেলার মাধ্যমে দেশীয় পণ্যের প্রচার, পণ্য বহুমুখীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সব দেশ ও প্রতিষ্ঠান পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করলে মেলাটি আরও সুন্দর, ক্রেতাবান্ধব ও উৎসবমুখর হয়ে উঠবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বাণীতে প্রধান উপদেষ্টা ৩০তম ‘ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)-২০২৬’-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।