১১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গৃহঋণ নীতিমালা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি এবং আবাসন খাতে বাড়তি চাহিদার প্রেক্ষাপটে গৃহঋণ নীতিমালা সহজ ও হালনাগাদ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালায় গ্রাহকের জন্য গৃহঋণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গৃহঋণে খেলাপি ঋণের হারের ভিত্তিতে।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, যেসব ব্যাংকের গৃহঋণে খেলাপি ঋণের হার ৫ শতাংশ বা তার কম, সেসব ব্যাংক একজন গ্রাহককে বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, গৃহঋণে খেলাপি ঋণের হার ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের মধ্যে হলে সর্বোচ্চ ঋণসীমা হবে ৩ কোটি টাকা। আর খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ দিতে পারবে।

নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মোট মূল্যের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণ হিসেবে দেওয়া যাবে। বাকি কমপক্ষে ৩০ শতাংশ অর্থ গ্রাহককে নিজস্ব উৎস থেকে দিতে হবে। পাশাপাশি ঋণ অনুমোদনের আগে ব্যাংককে গ্রাহকের আয় ও কিস্তি পরিশোধ সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গৃহঋণ সংক্রান্ত আগের সব সার্কুলার বাতিল করে এই নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নতুন নীতিমালা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন এই উদ্যোগ একদিকে আবাসন খাতে বিনিয়োগ ও লেনদেনে গতি আনতে পারে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলোর গৃহঋণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে। খেলাপি ঋণের হারকে বিবেচনায় নিয়ে ঋণসীমা নির্ধারণ করায় ব্যাংকগুলোকেও আরও সতর্ক ও দায়বদ্ধ হতে হবে।

ইরানের হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটি থেকে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

গৃহঋণ নীতিমালা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:১৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

নির্মাণসামগ্রীর দাম বৃদ্ধি এবং আবাসন খাতে বাড়তি চাহিদার প্রেক্ষাপটে গৃহঋণ নীতিমালা সহজ ও হালনাগাদ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন নীতিমালায় গ্রাহকের জন্য গৃহঋণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের গৃহঋণে খেলাপি ঋণের হারের ভিত্তিতে।

এ সংক্রান্ত নির্দেশনা মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, যেসব ব্যাংকের গৃহঋণে খেলাপি ঋণের হার ৫ শতাংশ বা তার কম, সেসব ব্যাংক একজন গ্রাহককে বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, গৃহঋণে খেলাপি ঋণের হার ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের মধ্যে হলে সর্বোচ্চ ঋণসীমা হবে ৩ কোটি টাকা। আর খেলাপি ঋণের হার ১০ শতাংশের বেশি হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত গৃহঋণ দিতে পারবে।

নতুন নীতিমালায় আরও বলা হয়েছে, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের মোট মূল্যের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণ হিসেবে দেওয়া যাবে। বাকি কমপক্ষে ৩০ শতাংশ অর্থ গ্রাহককে নিজস্ব উৎস থেকে দিতে হবে। পাশাপাশি ঋণ অনুমোদনের আগে ব্যাংককে গ্রাহকের আয় ও কিস্তি পরিশোধ সক্ষমতা যাচাই করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, গৃহঋণ সংক্রান্ত আগের সব সার্কুলার বাতিল করে এই নতুন নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নতুন নীতিমালা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন এই উদ্যোগ একদিকে আবাসন খাতে বিনিয়োগ ও লেনদেনে গতি আনতে পারে, অন্যদিকে ব্যাংকগুলোর গৃহঋণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে। খেলাপি ঋণের হারকে বিবেচনায় নিয়ে ঋণসীমা নির্ধারণ করায় ব্যাংকগুলোকেও আরও সতর্ক ও দায়বদ্ধ হতে হবে।