১১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুদকের দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান

দুদকের দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এনটিএমসি মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক ও বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ প্রায় ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ঢাকা মহানগর আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তাকে আদালতের এজলাসে তোলা হলে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ও উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জিয়াউল আহসান ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন। তার নামে থাকা ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুদক।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব অর্থ স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হিসেবে নিজ পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। এ মামলায় তার স্ত্রী নুসরাত জাহানকেও আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৫ আগস্ট গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিভিন্ন মামলা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এদিন তার পক্ষে ওকালতনামা দাখিল করা হলেও কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান।

দুদকের দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার জিয়াউল আহসান

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৫১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক ও বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ’ প্রায় ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন ঢাকার মহানগর সিনিয়র বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ঢাকা মহানগর আদালতের হাজতখানায় আনা হয়। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে তাকে আদালতের এজলাসে তোলা হলে দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা ও উপপরিচালক মো. হাফিজুল ইসলাম গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জিয়াউল আহসান ক্ষমতার অপব্যবহার করে নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন। তার নামে থাকা ৮টি সক্রিয় ব্যাংক হিসাবে প্রায় ১২০ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে দুদক।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এসব অর্থ স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করা হয়েছে। একজন উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তা হিসেবে নিজ পদ ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, দণ্ডবিধি, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়। এ মামলায় তার স্ত্রী নুসরাত জাহানকেও আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৫ আগস্ট গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বিভিন্ন মামলা ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায়ও তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। এদিন তার পক্ষে ওকালতনামা দাখিল করা হলেও কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আসিফুর রহমান।