১১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজা পুনর্গঠনে নতুন আন্তর্জাতিক কাঠামো আনছে যুক্তরাষ্ট্র

গাজা পুনর্গঠনে নতুন আন্তর্জাতিক কাঠামো আনছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে “Gaza Board of Peace” নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক বোর্ড গঠনের ঘোষণা দিতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এক্সিওস (Axios)–এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বোর্ড গাজায় চলমান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর অঞ্চলটির শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পালন করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই উদ্যোগটি চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের (Phase II) অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করার পর, দ্বিতীয় ধাপে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো দাঁড় করানোই হবে মূল লক্ষ্য। সেই প্রেক্ষাপটেই ‘গাজা বোর্ড অফ পিস’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সূত্রগুলো জানায়, এই বোর্ডের মাধ্যমে গাজায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সমন্বয় করা হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের যুক্ত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বোর্ড গঠনের মাধ্যমে গাজার ভবিষ্যৎ শাসনে যুক্তরাষ্ট্র একটি সক্রিয় ভূমিকা নিতে চাইছে। তবে এতে ফিলিস্তিনি পক্ষ, বিশেষ করে হামাস ও অন্যান্য রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অবস্থান কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। একই সঙ্গে আরব দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়াও এই উদ্যোগের সাফল্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

গাজায় দীর্ঘ যুদ্ধের পর এই ধরনের একটি বোর্ড গঠনের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। ফলে ট্রাম্পের সম্ভাব্য এই ঘোষণার দিকে এখন আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে।

ট্যাগ

গাজা পুনর্গঠনে নতুন আন্তর্জাতিক কাঠামো আনছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৪৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহে “Gaza Board of Peace” নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক বোর্ড গঠনের ঘোষণা দিতে পারেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম এক্সিওস (Axios)–এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বোর্ড গাজায় চলমান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর অঞ্চলটির শাসনব্যবস্থা, নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং পুনর্গঠন কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব পালন করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এই উদ্যোগটি চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির দ্বিতীয় ধাপের (Phase II) অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। প্রথম ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর ও মানবিক সহায়তা প্রবাহ নিশ্চিত করার পর, দ্বিতীয় ধাপে গাজায় যুদ্ধ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাঠামো দাঁড় করানোই হবে মূল লক্ষ্য। সেই প্রেক্ষাপটেই ‘গাজা বোর্ড অফ পিস’ গঠনের পরিকল্পনা করছে ট্রাম্প প্রশাসন।

সূত্রগুলো জানায়, এই বোর্ডের মাধ্যমে গাজায় একটি অন্তর্বর্তীকালীন শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা পুনর্গঠন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সমন্বয় করা হবে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের যুক্ত করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বোর্ড গঠনের মাধ্যমে গাজার ভবিষ্যৎ শাসনে যুক্তরাষ্ট্র একটি সক্রিয় ভূমিকা নিতে চাইছে। তবে এতে ফিলিস্তিনি পক্ষ, বিশেষ করে হামাস ও অন্যান্য রাজনৈতিক গোষ্ঠীর অবস্থান কী হবে, তা এখনো অনিশ্চিত। একই সঙ্গে আরব দেশগুলো এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিক্রিয়াও এই উদ্যোগের সাফল্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

গাজায় দীর্ঘ যুদ্ধের পর এই ধরনের একটি বোর্ড গঠনের ঘোষণা মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। ফলে ট্রাম্পের সম্ভাব্য এই ঘোষণার দিকে এখন আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি নিবদ্ধ রয়েছে।