১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ–জ্বালানি গবেষণায় আলাদা ইনস্টিটিউশন গঠনের নির্দেশ

বিদ্যুৎ–জ্বালানি গবেষণায় আলাদা ইনস্টিটিউশন গঠনের নির্দেশ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণার জন্য একটি পৃথক ও স্বতন্ত্র ইনস্টিটিউশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, বরং নীতিনির্ধারণে সরকারকে সহায়তাকারী একটি শক্তিশালী গবেষণা সংস্থা হবে।

বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের মহাপরিকল্পনা ২০২৬–২০৫০ উপস্থাপন করে। সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ চাহিদা, জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়।

মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ চাহিদা ১৭ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে ৫৯ গিগাওয়াটে পৌঁছাবে। পরিচ্ছন্ন ও দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে জানানো হয়।

সভায় প্রধান উপদেষ্টা অতীতের খাপছাড়া পরিকল্পনার সমালোচনা করে বলেন, শুরু থেকেই সঠিক কাঠামো ও নিয়মের মধ্যে পরিকল্পনা করতে হবে। একই সঙ্গে বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস নিয়ে গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

বিদ্যুৎ–জ্বালানি গবেষণায় আলাদা ইনস্টিটিউশন গঠনের নির্দেশ

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৬

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণার জন্য একটি পৃথক ও স্বতন্ত্র ইনস্টিটিউশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, এই প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, বরং নীতিনির্ধারণে সরকারকে সহায়তাকারী একটি শক্তিশালী গবেষণা সংস্থা হবে।

বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের মহাপরিকল্পনা ২০২৬–২০৫০ উপস্থাপন করে। সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ভবিষ্যৎ চাহিদা, জ্বালানি নিরাপত্তা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নিয়ে আলোচনা হয়।

মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৫০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ চাহিদা ১৭ গিগাওয়াট থেকে বেড়ে ৫৯ গিগাওয়াটে পৌঁছাবে। পরিচ্ছন্ন ও দক্ষ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে কার্বন নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে বলে জানানো হয়।

সভায় প্রধান উপদেষ্টা অতীতের খাপছাড়া পরিকল্পনার সমালোচনা করে বলেন, শুরু থেকেই সঠিক কাঠামো ও নিয়মের মধ্যে পরিকল্পনা করতে হবে। একই সঙ্গে বিকল্প ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস নিয়ে গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।