১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের পতনের ইঙ্গিত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে ট্রাম্পের পতনের ইঙ্গিত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানি জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ভাষণে তিনি ইতিহাসের কয়েকজন ক্ষমতাধর শাসকের পতনের উদাহরণ টেনে ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেন।

খামেনি বলেন, “ট্রাম্পের জানা উচিত, ফেরাউন, নমরুদ, রেজা খান এবং মোহাম্মদ রেজার মতো বিশ্বের দাম্ভিক শাসকরাও তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত অবস্থায় থাকাকালেই ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিল। তাকেও একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।”

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন করে বাড়ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক আবারও চরম অবনতির পথে। খামেনির ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে ‘অহংকারপূর্ণ’ ও ‘চাপের রাজনীতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় বলে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির এই বক্তব্য কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং ওয়াশিংটনের প্রতি তেহরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানের একটি স্পষ্ট বার্তা। এতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির চূড়ান্ত অবস্থানেও বড় শক্তিগুলো ইতিহাসের বিচারে টিকে থাকতে পারেনি।

উল্লেখ্য, ফেরাউন ও নমরুদ ইসলামী বর্ণনায় অত্যাচারী ও অহংকারী শাসকের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে ইরানের সাবেক শাহ রেজা খান ও মোহাম্মদ রেজা পাহলভির পতনের উদাহরণ তুলে ধরে খামেনি আধুনিক ইতিহাসের দিকেও ইঙ্গিত করেছেন।

এই বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ট্রাম্পের পতনের ইঙ্গিত ইরানের সর্বোচ্চ নেতার

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৪০:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইরানি জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ভাষণে তিনি ইতিহাসের কয়েকজন ক্ষমতাধর শাসকের পতনের উদাহরণ টেনে ট্রাম্পের ভবিষ্যৎ নিয়েও কঠোর মন্তব্য করেন।

খামেনি বলেন, “ট্রাম্পের জানা উচিত, ফেরাউন, নমরুদ, রেজা খান এবং মোহাম্মদ রেজার মতো বিশ্বের দাম্ভিক শাসকরাও তাদের ক্ষমতার চূড়ান্ত অবস্থায় থাকাকালেই ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিল। তাকেও একই পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।”

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন করে বাড়ছে এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক আবারও চরম অবনতির পথে। খামেনির ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে ‘অহংকারপূর্ণ’ ও ‘চাপের রাজনীতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় বলে ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির এই বক্তব্য কেবল ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, বরং ওয়াশিংটনের প্রতি তেহরানের রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানের একটি স্পষ্ট বার্তা। এতে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তির চূড়ান্ত অবস্থানেও বড় শক্তিগুলো ইতিহাসের বিচারে টিকে থাকতে পারেনি।

উল্লেখ্য, ফেরাউন ও নমরুদ ইসলামী বর্ণনায় অত্যাচারী ও অহংকারী শাসকের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। একই সঙ্গে ইরানের সাবেক শাহ রেজা খান ও মোহাম্মদ রেজা পাহলভির পতনের উদাহরণ তুলে ধরে খামেনি আধুনিক ইতিহাসের দিকেও ইঙ্গিত করেছেন।

এই বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।