
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় বিজয়ের পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা। মালদ্বীপ, ভারত, মালয়েশিয়া, চীন ও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায় নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।
মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তারেক রহমানকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতাকে আরও গভীর ও অগ্রসর করতে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। ভবিষ্যতে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে এবং নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে তারেক রহমান ও বিএনপিকে অভিনন্দন জানান। তিনি বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানান এবং আগাম রমজান মোবারক বার্তা দেন। দুই বাংলার সুসম্পর্ক অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ফেসবুকে দেওয়া বার্তায় তারেক রহমান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নির্বাচনী বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি এই ফলাফলকে গণতন্ত্রের বিজয় হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মালয়েশিয়া নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে নতুন উদ্যম আনতে চায় বলেও জানান তিনি।
ঢাকার Embassy of the People’s Republic of China in Bangladesh এক বার্তায় বাংলাদেশের জনগণ ও নেতৃত্ব গ্রহণের দ্বারপ্রান্তে থাকা বিএনপিকে অভিনন্দন জানায়। বার্তায় বলা হয়, চীন নতুন সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনায় আগ্রহী।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া পোস্টে তারেক রহমানকে নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে পাকিস্তান প্রস্তুত।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই বিভিন্ন দেশ থেকে আসা এসব অভিনন্দন বার্তা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে, নতুন সরকারের প্রতি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কূটনৈতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনীতি, বাণিজ্য, জলবায়ু, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অভিবাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন পর্ব শুরু হতে পারে।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 



















