
নির্বাচন কমিশন–এর কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশ পেলে ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর গেজেট প্রকাশে কমিশন কোনো তড়িঘড়ি করেনি। আইনের মধ্যেই সব কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং যথাসময়ে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। ১১ দলীয় জোটের ফলাফল পুনর্বিবেচনার দাবি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিষয়টি অপ্রাসঙ্গিক। তবে আইন অনুযায়ী যেকোনো অভিযোগকারী হাইকোর্টে যেতে পারেন। আদালত নির্দেশ দিলে কমিশন সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
ইসি আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আরও জানান, সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ফলাফল ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ না পড়ালে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন। তবে শপথ গ্রহণের সময়সূচি সম্পর্কে এখনো কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নয়। সংসদ সচিবালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো চিঠিপত্র পাওয়া যায়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট নির্বাচন কমিশনে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। জোটের নেতারা দাবি করেন, ৩২টি আসনে কারচুপির মাধ্যমে তাদের প্রার্থীদের পরাজিত করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর ভোট পুনর্গণনার আবেদন জানান। তবে গেজেট প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় পুনর্গণনা এখন আর সম্ভব নয় বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসি আনোয়ারুল বলেন, “সুষ্ঠু, সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে কমিশন সফল হয়েছে। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি মানদণ্ড পূরণ হয়েছে এই নির্বাচনের মাধ্যমে।”
এদিকে শেরপুর–৩ আসনের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি নির্বাচন কমিশন বলেও জানান তিনি।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 



















