
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খাগড়াছড়ি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১১ জন প্রার্থীর মধ্যে সাতজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে। কাস্ট হওয়া মোট ভোটের ৮ শতাংশের কম ভোট পাওয়ায় নির্বাচন বিধি অনুযায়ী তাদের জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা নির্বাচন কার্যালয়।
জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে মোট ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৯টি ভোট পড়েছে, যা মোট ভোটারের প্রায় ৬২ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ হাজার ৮০টি ভোট বাতিল হিসেবে গণ্য হয়েছে। অন্যদিকে জামানত হারানো সাত প্রার্থীর সম্মিলিত প্রাপ্ত ভোট মাত্র ৭ হাজার ৬৬৯। অর্থাৎ বাতিল ভোটের সংখ্যাই তাদের মোট প্রাপ্ত ভোটের চেয়ে বেশি।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন—জাতীয় পার্টি-এর মিথিলা রওয়াজা (লাঙ্গল, ১,০২৪ ভোট), বাংলাদেশ মার্জিনাল জনতা পার্টি (বিএমজেপি)-এর উশ্যেপ্রু মারমা (রকেট, ১,০৩০ ভোট), জিরুনা ত্রিপুরা (কলস, ৯০৪ ভোট), গণঅধিকার পরিষদ-এর দীনময় রওয়াজা (ট্রাক, ৭৫৫ ভোট), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মো. কাউসার (হাতপাখা, ৩,০৮৯ ভোট), নুর ইসলাম (আপেল, ৬৮৩ ভোট) এবং নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেওয়া মো. মোস্তফা (হারিকেন, ১৮৪ ভোট)।
আরও পড়ুন
কুড়িগ্রামের ৪ আসনে ১৮ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত
খাগড়াছড়ি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এস এম শাহাদাত হোসেন জানান, বিধি অনুযায়ী কাস্ট হওয়া ভোটের অন্তত ৮ শতাংশ না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবেই এই আসনে সাতজন প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন।
ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জামানত হারানোদের মধ্যে উশ্যেপ্রু মারমা, মো. মোস্তফা ও মিথিলা রওয়াজা ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নিয়েছিলেন। সেবারও তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল। তবে গতবার তারা প্রত্যেকে ১০ হাজারের বেশি ভোট পেলেও এবার তাদের ভোট উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের উচ্চ হার থাকা সত্ত্বেও ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতি ভোটারদের আগ্রহ কমে যাওয়ার ইঙ্গিত মিলছে এই ফলাফলে।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 



















