০২:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরিবারের দাবিতেও ফেরত দেওয়া হয়নি ফিলিস্তিনি মৃতদেহ

পরিবারের দাবিতেও ফেরত দেওয়া হয়নি ফিলিস্তিনি মৃতদেহ

হারেৎজের ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সংস্করণের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েল পশ্চিম তীর এবং গাজা উপত্যকা থেকে ৭৬৬ জন ফিলিস্তিনি মৃতদেহ বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে। এদের মধ্যে ১০ জন মেয়েও রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য জাতীয়তার ১০ জন ব্যক্তির মৃতদেহও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ধরে রেখেছে।

এই মৃতদেহগুলির মধ্যে অধিকাংশ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে নিহতদের, যারা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে—আক্রমণ চালানো, গুলি বর্ষণ বা পাথর নিক্ষেপ—সময়ে মারা গেছে। গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের পরে ৮৮ জনের মৃতদেহ কারাগারে কঠোর অবস্থায় নিহত ফিলিস্তিনি। পশ্চিম তীরে ২০২৫ সালে ৮২ জন পুলিশ হেফাজতে নিহত হয়েছেন, যাদের মৃতদেহ পরে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

হারেৎজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু মৃতদেহ অজ্ঞাত এবং ফ্রিজারে সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া চারটি ইসরায়েলি কবরস্থানে নামবিহীন কবরে আরও মৃতদেহ রাখা হয়েছে। মোট ২৫৬ জনের নাম জানা থাকলেও নথি সংরক্ষণে অনিয়মের কারণে সব মৃতদেহের তথ্য নেই। ১৯৬০ এবং ৭০-এর দশকের মৃতদেহও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ফিলিস্তিনি সংগঠন এবং পরিবারের দাবির পরও ইসরায়েল মৃতদেহ ফেরত দিচ্ছে না। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে হারেৎজ জানিয়েছে, মর্গে আরও মৃতদেহ রাখার পর্যাপ্ত ক্ষমতা রয়েছে। ২০১৭ সালে ইসরায়েলি নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা হামাস কর্মীদের এবং “অতিরিক্ত বিপজ্জনক” নিহতদের মৃতদেহ ফেরত না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২০ সালে এই নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারিত হয়েছিল।

ফিলিস্তিনি পক্ষ দাবি করছে, এ ধরনের কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন। পরিবারগুলোর মতে, মৃতদেহ ফেরত না দেওয়া এবং তাদের অঙ্গ দখল ও ব্যবহারের বিষয়টি ফিলিস্তিনিদের উপর দমনমূলক কৌশল হিসেবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।

সৌদি আরব ও কুয়েত লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

সৌদি আরব ও কুয়েত লক্ষ্য করে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার নতুন অধ্যায় তৈরি হয়েছে। সৌদি আরব ও কুয়েতকে লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান বলে অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার মধ্যরাতের পর এসব মিসাইল ছোড়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে সৌদি আরব ও কুয়েত উভয় দেশই জানিয়েছে, তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হামলাগুলো সফলভাবে প্রতিহত করেছে। সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানী রিয়াদের কাছে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। কিন্তু লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছানোর আগেই সৌদি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মিসাইলগুলো ধ্বংস করে দেয়। এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। অন্যদিকে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে সেটিকে ধ্বংস করা হয়। তবে প্রতিরক্ষা মিসাইলের ধ্বংসাবশেষ একটি এলাকায় পড়ে সামান্য ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে। যদিও এতে বড় ধরনের কোনো ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস জানিয়েছে, কুয়েতে অবস্থিত নিজেদের দূতাবাস আংশিক বা সম্পূর্ণ খালি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে উপসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে মার্কিন ও মিত্র দেশগুলোর সামরিক উপস্থিতি এবং পাল্টাপাল্টি হুমকির কারণে পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

বাহরাইনে ড্রোন হামলা, লক্ষ্য ছিল মার্কিন সেনাদের আবাসস্থল

বাহরাইনে ড্রোন হামলা, লক্ষ্য ছিল মার্কিন সেনাদের আবাসস্থল

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় দেশ বাহরাইনের রাজধানী মানামায় একটি হোটেলে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। স্থানীয় ও আঞ্চলিক কয়েকটি অসমর্থিত সূত্রের দাবি, সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। খবরে বলা হয়েছে, হামলার আগে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টার দিকে বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাজধানীতে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে। সে সময় কর্তৃপক্ষ নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ স্থানে আশ্রয়ে থাকার আহ্বান জানায়। এতে বোঝা যায় যে সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে আগেই সতর্ক ছিল দেশটির প্রশাসন। স্থানীয় একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রাজধানী মানামার জুফফাইর এলাকায় অবস্থিত একটি হোটেল বা আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়। ওই এলাকাতেই মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর অবস্থিত এবং সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বহু সামরিক সদস্য অবস্থান করেন। ধারণা করা হচ্ছে, হামলার লক্ষ্য ছিল ওই নৌবহরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সেনাদের আবাসস্থল। তবে হামলার বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানায়নি বাহরাইনের সরকার বা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্তৃপক্ষ। হতাহতের কোনো তথ্যও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একইভাবে ইরানের পক্ষ থেকেও এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই হামলার খবর নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে ঘটনাটিকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ...

আরো পড়ুন

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত

রমজানের শেষ দশকে ইতিকাফের গুরুত্ব ও ফজিলত

রমজান মাসের শেষ দশকে মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি ইবাদত হলো ইতিকাফ। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে দুনিয়ার সব ব্যস্ততা থেকে নিজেকে দূরে রেখে মসজিদে অবস্থান করে ইবাদতে নিমগ্ন থাকার এই আমলকে ইসলামে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আলেমরা বলেন, ইতিকাফ মানুষের আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া অর্জন এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের এক অনন্য সুযোগ। ইতিকাফের মূল উদ্দেশ্য হলো দুনিয়াবি ব্যস্ততা থেকে দূরে সরে আল্লাহর ইবাদতে সম্পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পরিবার, সমাজ, কাজ এবং নানা দায়িত্বের কারণে অনেক সময় গভীরভাবে ইবাদতে মনোনিবেশ করা সম্ভব হয় না। ইতিকাফ সেই সুযোগকে উন্মুক্ত করে দেয়, যেখানে একজন মুসলমান নিরবচ্ছিন্নভাবে আল্লাহর স্মরণ, নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত এবং দোয়া-ইস্তিগফারে সময় ব্যয় করতে পারেন। ১৭ রমজান: বদর যুদ্ধের ঐতিহাসিক দিন। কুরআনুল কারিমেও ইতিকাফের উল্লেখ রয়েছে। সূরা আল-বাকারা ১২৫ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, তিনি হযরত ইবরাহিম (আ.) ও হযরত ইসমাঈল (আ.)-কে নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন তাঁরা তাঁর ঘরকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী এবং রুকু-সিজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখেন। এ আয়াত থেকে বোঝা যায়, ইতিকাফের বিধান ইসলামের প্রাচীন ঐতিহ্যের অংশ। হাদিসেও ইতিকাফের গুরুত্ব সম্পর্কে বহু বর্ণনা রয়েছে। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনায় হিজরতের পর প্রায় প্রতি বছরই রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন। একবার বিশেষ কারণে ইতিকাফ করতে না পারায় পরের বছর তিনি বিশ দিন ইতিকাফ করেছিলেন বলে হাদিসে উল্লেখ...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরবর্তী সংবাদ পড়ুন

বদি ও আইভীর জামিন স্থগিত, শুনানি ৯ মার্চ

বদি ও আইভীর জামিন স্থগিত, শুনানি ৯ মার্চ

বগুড়ায় দায়ের করা জুলাই-আগস্টের হত্যাচেষ্টা মামলায় কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন ৯ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করেছেন চেম্বার আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশের আপিল বিভাগ-এর চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এ আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল জহিরুল ইসলাম সুমন ও মো. আক্তারুজ্জামান। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বগুড়ায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বদিকে জামিন দেন বাংলাদেশের হাইকোর্ট-এর বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের বেঞ্চ। মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট হত্যাচেষ্টা মামলায় চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকা থেকে র‌্যাব আবদুর রহমান বদিকে গ্রেপ্তার করে। রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নবম ও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুর রহমান বদি। তবে দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ায় একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার পরিবর্তে আওয়ামী লীগ তার স্ত্রী শাহীন আক্তারকে মনোনয়ন দেয় এবং তিনি দুই দফায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া চারটি হত্যামামলাসহ মোট পাঁচ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে দেওয়া জামিনও স্থগিত করেছেন একই আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশের আপিল বিভাগ-এর চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আইভীর জামিন বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ শুনানির জন্য আগামী ৯ মার্চ দিন...

আরো পড়ুন
ট্যাগ

পরিবারের দাবিতেও ফেরত দেওয়া হয়নি ফিলিস্তিনি মৃতদেহ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৫০:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হারেৎজের ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সংস্করণের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইসরায়েল পশ্চিম তীর এবং গাজা উপত্যকা থেকে ৭৬৬ জন ফিলিস্তিনি মৃতদেহ বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে। এদের মধ্যে ১০ জন মেয়েও রয়েছেন। এছাড়াও অন্যান্য জাতীয়তার ১০ জন ব্যক্তির মৃতদেহও ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ধরে রেখেছে।

এই মৃতদেহগুলির মধ্যে অধিকাংশ ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে নিহতদের, যারা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে—আক্রমণ চালানো, গুলি বর্ষণ বা পাথর নিক্ষেপ—সময়ে মারা গেছে। গাজা উপত্যকায় যুদ্ধের পরে ৮৮ জনের মৃতদেহ কারাগারে কঠোর অবস্থায় নিহত ফিলিস্তিনি। পশ্চিম তীরে ২০২৫ সালে ৮২ জন পুলিশ হেফাজতে নিহত হয়েছেন, যাদের মৃতদেহ পরে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

হারেৎজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু মৃতদেহ অজ্ঞাত এবং ফ্রিজারে সংরক্ষিত রয়েছে। এছাড়া চারটি ইসরায়েলি কবরস্থানে নামবিহীন কবরে আরও মৃতদেহ রাখা হয়েছে। মোট ২৫৬ জনের নাম জানা থাকলেও নথি সংরক্ষণে অনিয়মের কারণে সব মৃতদেহের তথ্য নেই। ১৯৬০ এবং ৭০-এর দশকের মৃতদেহও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ফিলিস্তিনি সংগঠন এবং পরিবারের দাবির পরও ইসরায়েল মৃতদেহ ফেরত দিচ্ছে না। নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে হারেৎজ জানিয়েছে, মর্গে আরও মৃতদেহ রাখার পর্যাপ্ত ক্ষমতা রয়েছে। ২০১৭ সালে ইসরায়েলি নিরাপত্তা মন্ত্রিসভা হামাস কর্মীদের এবং “অতিরিক্ত বিপজ্জনক” নিহতদের মৃতদেহ ফেরত না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ২০২০ সালে এই নিষেধাজ্ঞা সম্প্রসারিত হয়েছিল।

ফিলিস্তিনি পক্ষ দাবি করছে, এ ধরনের কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইন এবং মানবাধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন। পরিবারগুলোর মতে, মৃতদেহ ফেরত না দেওয়া এবং তাদের অঙ্গ দখল ও ব্যবহারের বিষয়টি ফিলিস্তিনিদের উপর দমনমূলক কৌশল হিসেবে প্রয়োগ করা হচ্ছে।