
সৌদি আরবে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশটির কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেয়। এর পরই মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে রমজান মাস শুরু হয়।
কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরের দেশ সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দক্ষিণ চট্টগ্রামের কিছু এলাকায়ও রোজা শুরু হয়েছে। বুধবার রাতে তারাবির নামাজ আদায় করেছেন চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মির্জারখীল দরবার শরীফের এর অনুসারীরা। প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো ঐতিহ্য অনুসারে তারা সৌদির চাঁদ দেখার সিদ্ধান্তকে অনুসরণ করে ঈদ, রোজা ও অন্যান্য ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন।
জানা গেছে, সাতকানিয়ার মির্জারখীল, এওচিয়ার গাটিয়া ডেঙ্গা, মাদার্শা, খাগরিয়ার মৈশামুড়া, পুরানগড়, চরতির সুইপুরা, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, হারালা, বাইনজুরি, কানাইমাদারি, সাতবাড়িয়া, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর কালীপুর, চাম্বল, শেখেরখীল, ছনুয়া, আনোয়ারার বরুমছড়া এবং তৈলারদ্বীপসহ অন্তত ৬০ গ্রামের বাসিন্দারা বুধবার থেকে সিয়াম সাধনা শুরু করেছেন।
দরবারের অনুসারী কামরুল হাসান বলেন, সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ার খবর পাওয়ার পর মঙ্গলবার রাতে তারা তারাবির নামাজ আদায় করেছেন এবং বুধবার থেকে রোজা পালন শুরু করেছেন। স্থানীয়ভাবে পৃথকভাবে চাঁদ দেখার ঘোষণা না আসলেও দীর্ঘদিনের রীতি অনুযায়ী তারা সৌদির ঘোষণাকেই অনুসরণ করে থাকেন।
প্রতি বছরই এ সিদ্ধান্ত ঘিরে এলাকায় আলাদা ধর্মীয় পরিবেশ তৈরি হয়। একদিকে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির ঘোষণার অপেক্ষায় থাকে দেশের অধিকাংশ মানুষ, অন্যদিকে ঐতিহ্য ধরে রেখে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল সৌদির সঙ্গে মিল রেখে রমজান ও ঈদ উদযাপন করে আসছে।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 



















