
লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণের জেরে ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। জাতিসংঘ মঙ্গলবার, ৩ মার্চ জানিয়েছে, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে অন্তত ৩১,০০০ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দক্ষিণ লেবানন এবং রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠ।
জাতিসংঘের মানবিক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, চলমান হামলার কারণে বহু পরিবার অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছে। খাদ্য, পানি ও চিকিৎসা সহায়তার প্রয়োজন দ্রুত বাড়ছে। পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
এই উত্তেজনার পেছনে রয়েছে সীমান্তবর্তী সামরিক সংঘাত। ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানের সমর্থনে হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে ড্রোন হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এর পর থেকেই ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার মুখে পড়ে অঞ্চলটি।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত উত্তেজনার কেন্দ্র। তবে সাম্প্রতিক হামলার মাত্রা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে। বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বহু মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাচ্ছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। তাদের মতে, চলমান সামরিক অভিযানের মানবিক প্রভাব দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে লেবানন নতুন করে বড় আকারের শরণার্থী সংকটে পড়তে পারে।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 



















