
মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার সঙ্গে হিজবুল্লাহর সরাসরি জড়িত থাকার পরিপ্রেক্ষিতে হুথিদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশ্লেষকরা দেখছেন, গত কয়েক দিনের লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলা এবং গোলাবর্ষণের ফলে হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ড হুথিদের কৌশলগত সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করতে পারে।
ইতিহাসে দেখা যায়, ২০১৫ সালের জুনে ইরানের বিরুদ্ধে সীমিত ইসরায়েলি যুদ্ধের সময় হুথিরা তাদের মিত্রদের রক্ষা করার জন্য সরাসরি যুদ্ধে যোগ দিয়েছিল। সেই সময় হিজবুল্লাহ কোনোভাবে জড়িত ছিল না, ফলে হুথিরা স্বাধীনভাবে ভূমিকা নিতে পেরেছিল।
বর্তমান পরিস্থিতি ভিন্ন। হিজবুল্লাহ ইতোমধ্যেই লেবাননে সরাসরি অভিযানে যুক্ত, এবং সাম্প্রতিক দুই দিনের হামলার ফলে দক্ষিণ লেবানন ও অন্যান্য সীমান্ত অঞ্চলে সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ অবস্থায় হুথি কি একইভাবে যুদ্ধে প্রবেশ করবে, তা এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত।
লেবাননে ৩১ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হুথি সিদ্ধান্ত নেবে কৌশলগত সুবিধা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি অনুযায়ী। যদি তারা প্রবেশ করে, তাহলে ইরানের সমর্থন আরও শক্তিশালী হবে, কিন্তু এই পদক্ষেপ সামরিক ও রাজনৈতিক জটিলতাও বাড়াবে। অন্যদিকে, হুথির সরাসরি অংশগ্রহণ না করলেও তারা বিভিন্নভাবে সমর্থন বা সরবরাহের মাধ্যমে প্রভাব ফেলতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি এখন কেবল ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; হুথিদের সম্ভাব্য পদক্ষেপ অঞ্চলটির সামগ্রিক নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক ভারসাম্যকে নতুনভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
সমাচার বিশ্ব নিউজ ডেক্স 



















